শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ১২ দিনের ব্যবধানে নিখোঁজ হওয়া ৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে মাদরাসা শিক্ষার্থী এবং তাদের সবার বয়স ১১ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।
সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ঝিনাইগাতি উপজেলার তিনানী বাজার বড় মসজিদ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩ জনকে। অন্যদিকে, মধ্যরাতে মহাখালী থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ১ জনকে।
উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীরা হলো- পাঁচগাঁও গ্রামের বাসিন্দা রাব্বানী (১১), তোফায়েল (১২), রাসেল (১৩) ও খন্দকার মাশরাফি (১৩)।
এর আগে, গত ২৭ মে উপজেলার বুরুঙ্গা কালাপানি গ্রামের বাসিন্দা ইসরাফিল (১৫) দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়। ৬ জুন পাঁচগাঁও গ্রামের বাসিন্দা খন্দকার মাশরাফি (১৩) মাদরাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়। ৭ জুন একই গ্রামের বাসিন্দা রাব্বানী (১১), তোফায়েল (১২) ও রাসেল (১৩) নিখোঁজ হয়।
সোমবার (৮ জুন) তাদের অভিভাবকরা নালিতাবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ তাদের উদ্ধারে তৎপর হয়। বিকেলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নালিতাবাড়ী সার্কেল আফসান আল আলম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান ফোর্স নিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে মাঠে নামেন। তিনানী বাজার বড় মসজিদে পাওয়া ৩ শিক্ষার্থী কাউকে না জানিয়ে নিজেরা বেড়াতে গিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানায়।
অন্যদিকে, রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের কাছাকাছি এলাকায় সোমবার গভীর রাতে খন্দকার মাশরাফিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি দেখতে পান। পরে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানিয়ে ঢাকাস্থ মাশরাফির চাচা খন্দকার গোলাম মোস্তফার কাছে হস্তান্তর করা হয়। মাশরাফি রাগ করে পালিয়েছিল বলে জানায়।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নালিতাবাড়ী সার্কেল আফসান আল আলম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
/মহু