কুয়েত-জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

গত ২৮ মে মার্কিন বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান ও

2026-06-10T10:25:08+00:00
2026-06-10T10:25:08+00:00
 
  বুধবার, ১০ জুন ২০২৬,
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক
কুয়েত-জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ এএম   (ভিজিট : ২১)
ছবি : সংগৃহীত
গত ২৮ মে মার্কিন বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের ইতিহাসে এই হামলাকে এক বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি (এস্কেলেশন) হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে আইআরজিসির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে এই হামলা শুরু হয়। আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে অবস্থিত বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনা সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে। হামলার সময় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জর্ডানের আকাশসীমার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা আম্মানের জন্য তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, আইআরজিসির এই অভিযানের পরিধি কেবল জর্ডানের আকাশসীমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘আলি আল সালেম’ ও ‘ক্যাম্প আরিফজান’ এবং কাতারের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘আল উদেইদ’ বিমান ঘাঁটিকেও এই ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টির লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জোরালো দাবি উঠেছে। উল্লেখ্য, আল উদেইদ ঘাঁটিটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেণ্টকম) অগ্রবর্তী সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ফলে এই অঞ্চলে আমেরিকার কৌশলগত উপস্থিতির জন্য এটি অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

এছাড়া জর্ডানের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ‘মুয়াফফাক সালতি’ বিমান ঘাঁটি এবং ‘টাওয়ার ২২’ নামক লজিস্টিক হাবও এই হামলার তালিকায় ছিল বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের শুরুতে এই টাওয়ার ২২-এ এক ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর স্থাপনাটি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় এসেছিল। তবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীন কোনো সূত্রে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২০২৬ সালজুড়ে ইরান ও মার্কিন মিত্র বাহিনীর মধ্যে চলমান একের পর এক রক্তক্ষয়ী সামরিক সংঘাতের একটি ধারাবাহিক অংশ হলো এই সর্বশেষ হামলা। চলতি বছরে পারস্য উপসাগরে মার্কিন ও তার মিত্রদের অবস্থান লক্ষ্য করে ইরান শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে।

তেহরানের দাবি, হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের কাছে মার্কিন উসকানিমূলক সামরিক কর্মকাণ্ডের কারণেই তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। 

/কহু


  বিষয়:   ইরান  জর্ডান  যুক্তরাষ্ট্র 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: