জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৫ ফজিলত

ইসলামের আলো ডেস্ক

ইসলাম

ইসলামে জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বরকতময় দিন হিসেবে গণ্য। আল্লাহ তায়ালা এই দিনকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন এবং মুসলমানদের

2026-06-12T09:49:27+00:00
2026-06-12T09:49:27+00:00
 
  শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬,
২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
ইসলাম
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৫ ফজিলত
ইসলামের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৯:৪৯ এএম   (ভিজিট : ২৭)
ছবি : সংগৃহীত
ইসলামে জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বরকতময় দিন হিসেবে গণ্য। আল্লাহ তায়ালা এই দিনকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন এবং মুসলমানদের জন্য এতে বহু ফজিলত ও কল্যাণ রেখেছেন। কোরআন-হাদিসের আলোকে জুমার দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো।

১. জুমার দিন মানব ইতিহাসের সূচনা ও সমাপ্তির সাথে সম্পর্কিত একটি দিন। হাদিসে এসেছে, এই দিনেই হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং পরবর্তীতে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। একইভাবে কেয়ামত এই দিনেই সংঘটিত হবে। 

এ সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেন, ‘সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন…’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

২. জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা অবশ্যই কবুল করেন। 

নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি সে সময় আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তাকে তা দেন’। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯৩৫)

৩. জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে পরিচিত। অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দিনের মর্যাদা অনেক বেশি। মুসলমানদের জন্য এটি ইবাদত ও নেক আমল বৃদ্ধির বিশেষ সুযোগ।

নবীজি (সা.) বলেন, জুমার দিন সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

৪. এই দিনে সুরা আল-কাহফ তিলাওয়াতের বিশেষ ফযীলত রয়েছে। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত আলো প্রদান করা হবে। এটি বান্দার জন্য হেদায়েত ও নূরের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

৫. জুমার দিন মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এই দিনে সবাই একত্র হয়ে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে, যা মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করে।

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! জুমার দিনে নামাজের জন্য আহ্বান করা হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত যাও’। (সুরা জুমুআহ, আয়াত : ৯)

সব মিলিয়ে বলা যায়, জুমার দিন শুধু একটি সাধারণ দিন নয়, বরং এটি রহমত, বরকত, ক্ষমা ও ইবাদতের বিশেষ সুযোগ। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এই দিনকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো, বেশি বেশি ইবাদত করা, দোয়া করা এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করা।

/এসএকে


  বিষয়:   জুমা  দিন  ফজিলত  ইসলাম  আমল  কোরআন  হাদিস  মুসলিম 


Loading...
Loading...
ইসলাম- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: