রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ডিউটিরত চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মর্গের সামনে মরদেহ আটক করে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা। বিক্ষোভ চলাকালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, ‘ক্ষমা না চাইলে মরদেহ নিতে দিব না’। অন্যদিকে, মরদেহের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে রোগীর স্বজনরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সিসিইউতে ভর্তি একজন রোগীর অক্সিজেন মাস্কের প্রয়োজন হলে, না পেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা ডিউটিরত চিকিৎসকের গায়ে হাত তোলেন। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে চিকিৎসকরা।
রোগীর স্বজনদের দাবি, চিকিৎসায় অবহেলার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অবহেলা ঢাকতে মরদেহ আটকে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। দ্রুত মরদেহ দেওয়া না হলে, মহাসড়ক থেকে না সরার ঘোষণা দেন তারা।
অন্যদিকে চিকিৎসকের দাবি, রোগীর চিকিৎসায় কোনওপ্রকার অবহেলা হয়নি। রোগীর স্বজনরা অকারণে দায়িত্বরত চিকিৎসককে মারধর করেছে।
উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসনে পরিচালকের কক্ষে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের নিয়ে আলোচনা চলছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে আলোচনা চলছে। খুব দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি।
/মহু