কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে ফুলবাড়ী উপজেলা ছাত্রশক্তির সেক্রেটারি আযান আহমেদ শাওনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে জেলা এনসিপি ও ছাত্রশক্তি ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিকেলে ফুলবাড়ী থানা রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হলে পথে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৩ জন আহত হন বলেও জানা যায়।
আহতদের মধ্যে জেলা ছাত্রশক্তির নেতা শান্ত এবং ফুলবাড়ী উপজেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমেদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জেলা এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক রাশেদুজ্জামান তাওহীদ বলেন, যুবদল-ছাত্রদলের অতর্কিত হামলায় আমাদের ২০জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাই।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম বলেন, এনসিপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু নেতাকর্মী হামলা চালায়। এতে ৫ থেকে ৬ জন এনসিপির নেতাকর্মী আহত হন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ফুলবাড়িতে এসেছি। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
সময়ের আলো/আতা