বিশ্ব ফুটবলের কোটি কোটি ভক্তের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হতে যাচ্ছে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর মধ্যকার বহুল আলোচিত সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে বিশ্বকে চমকে দেওয়া মরক্কো এবং পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের এই দ্বৈরথকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে এখন টানটান উত্তেজনা।
এটি মূলত ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী শৈল্পিক ফুটবল বনাম মরক্কোর আধুনিক ফুটবল কৌশলের এক মহা পরীক্ষা। কাতারে বেলজিয়াম, স্পেন ও পর্তুগালকে বিদায় করে শেষ চারে পা রাখা মরক্কো গত কয়েক বছরে প্রমাণ করেছে তারা এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি। ২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক মরক্কো এই ম্যাচটিকে দেখছে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মঞ্চ হিসেবে।
দলগত শক্তিতে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে খেলা তারকাদের নিয়ে দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ মরক্কো স্কোয়াড। পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী আশরাফ হাকিমি এবং রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড ব্রাহিম দিয়াজ আজ দলটির প্রধান ভরসা। গোলপোস্টের নিচে দেয়াল হয়ে আছেন অভিজ্ঞ ইয়াসিন বনু। তবে রক্ষণভাগের প্রধান সেনানি নায়েফ আগের্দ এবং ফরোয়ার্ড আবদে এজ্জালজুলি চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় নতুন কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির জন্য এটি বড় ধাক্কা।
অন্যদিকে, ফুটবলের চিরন্তন সৌন্দর্যের প্রতীক ব্রাজিল এই ম্যাচটিকে দেখছে তাদের নতুন প্রজন্মের শক্তি পরীক্ষার বড় মাধ্যম হিসেবে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোদের মতো বিশ্ব কাঁপানো তারকাদের নিয়ে গড়া সেলেসাওদের আক্রমণভাগ যেকোনো রক্ষণভাগের জন্যই দুঃস্বপ্ন। শৈল্পিক ফুটবলের আসল প্রতিভূ ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নেমে মরক্কো আজ তাদের সেই চেনা ও নান্দনিক রূপেরই পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে।
সময়ের আলো/জেডি