নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ গুরুত্বপূর্ণ এক লড়াইয়ে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং দলীয় ভারসাম্যের দিক থেকে টাইগ্রেসরা যে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় রয়েছে, তা এই ম্যাচের আগে বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে।
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের মেয়েরা নিজেদের ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য উন্নতির ছাপ রেখেছে। ব্যাটিংয়ে দায়িত্বশীলতা, বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং ফিল্ডিংয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি তীক্ষèতা দেখা গেছে। বিশেষ করে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে তরুণদের সমন্বয় দলটিকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে। ফলে যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই লড়াই করার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।
ঘরের মাঠে বয়সভিত্তিক দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি সেরেছিল টাইগ্রেসরা। আর বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে পূর্ণোদ্যমে প্রস্তুতি নেয় জ্যোতিরা। কাগজে-কলমে এবং অভিজ্ঞতার বিচারে বাংলাদেশের পাল্লা কিছুটা ভারী। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটির মূল চ্যালেঞ্জ হবে ব্যাটিং ইউনিটের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।
উদ্বোধনী জুটির ভালো শুরু এবং মধ্যক্রমের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে। পাশাপাশি স্পিন আক্রমণও হতে পারে বাংলাদেশের বড় অস্ত্র। উইকেট থেকে সহায়তা পাওয়া গেলে স্পিনারদের সামনে নেদারল্যান্ডস ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হতে পারে।
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। তাই টুর্নামেন্টে ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু বা ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাইবে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক ফর্ম, অভিজ্ঞতা এবং দলীয় শক্তির বিচারে টাইগ্রেসরা এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা উজাড় করেই কাক্সিক্ষত ফল নিশ্চিত করতে হবে তাদের।
সবকিছু মিলিয়ে আত্মবিশ্বাস, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং শক্তির বিচারে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এখন অপেক্ষা বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার।
সময়ের আলো/জেডি