বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ ও পরিবেশ উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’-এর জন্য ৭টি শ্রেণিতে মোট ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরির ‘ক’ শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে নাটোর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। দ্বিতীয় হয়েছে নাটোরের কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) এবং তৃতীয় হয়েছে খুলনার ডুমুরিয়া কলেজ।
ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ, ক্লাব এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ‘খ’ শ্রেণিতে প্রথম হয়েছে চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেড। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে খাগড়াছড়ির বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তর।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে বৃক্ষরোপণের জন্য ‘গ’ শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. শফিকুল ইসলাম। দ্বিতীয় হয়েছেন নড়াইলের মো. জাহাঙ্গীর কবির। যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছেন ঢাকার মো. শাহাবাজ হোসেন খান এবং সুনামগঞ্জের মোছা. ইসমাতুনেছা।
ব্যক্তিমালিকানাধীন নার্সারি ক্যাটাগরির ‘ঘ’ শ্রেণিতে প্রথম স্থান পেয়েছে সাভারের ফয়সাল নার্সারি। দ্বিতীয় হয়েছে বগুড়ার সাথী ফ্লাওয়ার অ্যান্ড নার্সারি এবং তৃতীয় হয়েছে সাভারের ডিপ্লোমা কৃষিবিদ নার্সারি।
ছাদবাগান ক্যাটাগরির ‘ঙ’ শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন রাজশাহীর শারমিন আক্তার। দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকার আসফিয়া সাবিনা এবং তৃতীয় হয়েছেন শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা।
বন বিভাগ কর্তৃক সৃজিত বাগানের ‘চ’ শ্রেণিতে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন বিভাগ। দ্বিতীয় হয়েছে যশোর সামাজিক বন বিভাগ এবং তৃতীয় হয়েছে ময়মনসিংহ বন বিভাগ।
বৃক্ষ সম্পর্কিত গবেষণা, সংরক্ষণ ও উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য ‘ছ’ শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন খাগড়াছড়ির পিটাছড়া বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ উদ্যোগের স্বত্বাধিকারী মাহফুজ আহমেদ রাসেল। দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকার মো. রফিকুল আমিন এবং তৃতীয় হয়েছেন কুমিল্লার অধ্যাপক মোহাম্মদ এনামুল হক খান।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে উৎসাহ প্রদান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
আরবিএন