মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব উন্নয়ন প্রকল্প সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটির প্রকল্প অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি স্কিমের বিপরীতে হাজারো আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় জনস্বার্থ ও অগ্রাধিকার বিবেচনা করে সঠিক প্রকল্প নির্বাচন করতে হবে এবং বরাদ্দের সীমার মধ্যে কাজের পরিধি নির্ধারণ করে সুবিন্যস্তভাবে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
সচিব বলেন, বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত। প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রকল্প নেওয়া হলে কাজের সুষ্ঠু মান বজায় রাখা সম্ভব হয় না। তাই অসংখ্য আবেদনের মধ্য থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে সঠিক স্কিম বেছে নিতে হবে।
একই সাথে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে কাজের সার্বিক অগ্রগতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেন তিনি। এছাড়া সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে খাগড়াছড়ি শহরের কেন্দ্রীয় বাজারে মাছ, মাংস ও সবজি মার্কেট সম্প্রসারণ ও সংস্কার, খাগড়াছড়ি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবন নির্মাণ, খাগড়াছড়ি ইংলিশ ভয়েস স্কুল প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন এবং দুঃস্থ নারীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গবাদিপশু বিতরণ কর্মসূচি।
বাজার আধুনিকায়ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে খাগড়াছড়ি ইংলিশ ভয়েস স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য। এছাড়া আটটি বৌদ্ধ বিহারের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে ব্যয় হবে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করতে মহিলা সমিতির মাধ্যমে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে গরু, ছাগল ও শূকর বিতরণ করা হবে।
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, উপসচিব মোহাম্মদ সামছুল হক, উপসচিব মো. সালাহ্উদ্দীন এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মেহেদী উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/আতা