খুলনার সন্ত্রাসী তুষার শিকদারসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার (২১ জুন) ঢাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি রিভলবার ও দু’রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শেখপাড়া মেইন রোডের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিনের ছেলে মো. তুষার শিকদার, গোবরচাকা এলাকার বাসিন্দা এসএম আইয়ুব আলীর ছেলে মো. আবরার ফয়সাল বাদিন, শেখপাড়া লোহাপট্টি এলাকার বাসিন্দা নুর ইসলামের ছেলে মো. আল আমিন, সোনাডাঙ্গা নবীনগর খালাসি মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা গাউসুল আজমের ছেলে মো. আসিফ ও টুটপাড়া জোড়াকল বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির।
খুলনা মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আহদুজ্জামান বলেন, খুলনায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেএমপির উদ্যোগে গত ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে উল্লিখিত আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসীরা খুলনা শীর্ষ সন্ত্রাসী বি কোম্পানিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠির সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে, বলেও তিনি জানান।
তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসীদের জিজ্ঞাসবাদের এক পর্যায়ে দেখানো স্থান হতে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি রিভলবার এবং দু’রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে, বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে কেএমপির ডিবি ডিসি বলেন, খুলনা মহানগরীতে কোনো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি কিংবা চিহ্নিত অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ ছাড়া আর কোনো বাহিনী থাকবে না। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সময়ের আলো/আতা