মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ১০টি ল্যান্ডমাইন সদৃশ বস্তু ও ৫ টি বক্স। ৩৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দেখা মেলেনি বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী কোনো ইউনিটের।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১ টা থেকে রোববার রাত ৮ টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেতবাড়িয়া গ্রামের আবুল মালিথার ছেলে কালু মালিথার একটি পরিত্যক্ত জমিতে মাইনসদৃশ এসব বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্তত ১০টি ল্যান্ডমাইন ও ৫ টি লাল রংয়ের বড় বক্স দেখতে পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বক্সগুলোর কয়েকটিতে ‘এমপিআই ১৯৬৭ এমআইএনই এ/পিইআরএস এনডি পি২ এমকে২’ লেখা রয়েছে। তবে এগুলো প্রকৃত ল্যান্ডমাইন বা ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন, ডেমো মাইন, বোমা নাকি অন্য কোনো বস্তু, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সে সময় থেকেই বিস্ফোরকের মতো দেখেতে বস্তুগুলো পড়ে রয়েছে আর পাহারা দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় বস্তুগুলো লোকালয় থেকে সরিয়ে না নেওয়াতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। দ্রুত এগুলো পরীক্ষা করে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে আতঙ্কের অবসান ঘটানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
গাংনী থানার ওসি তদন্ত শিমুল কুমার দাস জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল কর্ডন করে পাহারা বসানো হয়েছে। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেহেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, সোমবার সকালে যশোর সেনানিবাস থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল পাঠানোর কথা রয়েছে। এবং দুপুর ১২ টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ল্যান্ডমাইন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সময়ের আলো/আতা