লেবাননে সম্প্রতি ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর দক্ষিণ লেবাননের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে টেলিফোনে বিশেষ আলোচনা করেছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। লেবাননের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের (প্রেসিডেন্সি) বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
টেলিফোন আলাপে দুই রাষ্ট্রপ্রধান লেবাননসহ সমগ্র অঞ্চলের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক মার্কিন-ইরান আলোচনার প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘ কথা হয়। এছাড়া, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দক্ষিণ লেবাননের বর্তমান অবস্থা এবং চুক্তি বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হবে— সে বিষয়েও তারা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।
এই আলোচনার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল লেবাননে নিয়োজিত জাতিসংঘ অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী-এর ভবিষ্যৎ। আগামী ২০২৭ সালের শুরু থেকে এই মিশন তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে বর্তমান ম্যান্ডেটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেখানে কী ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে, তা নিয়ে দুই নেতা উদ্বেগ ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।
লেবাননের প্রেসিডেন্সি জানিয়েছে, ইউএনআইএফআইএল প্রত্যাহার হওয়ার পরও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ওই আন্তর্জাতিক অপারেশনাল এলাকায় তাদের সৈন্য মোতায়েন রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। লেবানন সরকারও ইউরোপীয় দেশগুলোর এই প্রস্তাবকে স্বাগত ও সমর্থন জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে দ্রুত আলোচনা করবেন। একই সাথে আগামী বছরের শুরুতে জাতিসংঘ বাহিনী প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেখানে যেকোনো ধরণের নতুন আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের জন্য একটি প্রয়োজনীয় আইনি ও কৌশলগত কাঠামো তৈরি করতে ফ্রান্স কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
সময়ের আলো/কহু