সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের পরদিনই সৌদির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোয় বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনায় নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সই হওয়া ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’-এ বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এর মধ্যেই সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় জুবাইল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির একটি গ্যাস স্থাপনায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে কয়েকটি প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে সম্ভাব্য হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিত করেনি। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে এ ঘটনায় ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতিদের সংশ্লিষ্টতার দাবি উঠেছে। তবে এ দাবিরও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
একই দিনে সৌদির জিজান অঞ্চলে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনাতেও আগুনের ঘটনা ঘটে। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জুবাইল সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি কেন্দ্র। ফলে নতুন প্রতিরক্ষা জোট ঘোষণার পরপরই এমন ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে ইয়েমেন ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় যেকোনো হামলা বড় ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষায় পরিণত হতে পারে।
তবে বিস্ফোরণটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হামলা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তের ফলই নির্ধারণ করবে এটি নতুন জোটের প্রথম বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ কি না।
সময়ের আলো/এমকে