প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের করা মামলায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি স্থবির হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
৩০ হাজারেরও বেশি মামলায় মন্ত্রণালয়ের অচল অবস্থা হয়ে গেছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মামলা রয়েছে। অচল অবস্থা হয়ে গেছে। ৬৫ হাজার ৫০০ প্রাইমারি স্কুলের মধ্যে ৫০ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। এসব পদ কি ২০২৬ সালে হয়েছে নাকি এত শিক্ষক অবসরে গেছেন?
২০১৭ সালের মামলায় পদোন্নতি নিয়ে স্থবিরতা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক বলেন, মামলাটা খুবই সিম্পল। ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে হেডমাস্টার বানানো হবে। ২৮৭ জন আত্মীকরণকৃত শিক্ষক বললেন আমাদের একই অভিজ্ঞতায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ২৮৭ জনকে চ্যালেঞ্জ করতে গিয়ে আপনি ৩২ হাজার ৫০০ স্কুলকে খালি রাখলেন? ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে আর নিয়োগ দেয়া হলো না।
তিনি আরও জানান, আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তার প্রত্যাশা, ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই শূন্য পদগুলো পূরণের জট খুলবে।
এছাড়া, আগামী ২০ জুলাই মাধ্যমিক ও সমমানের (এসএসসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে, বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/আতা