সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
তিনি বলেন, ইরান যদি নিজেদের ‘বিপ্লবী অবস্থান’ ধরে না রেখে একটি স্বাভাবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আত্মপ্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তারা বৈশ্বিক বিনিয়োগসহ নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
মার্কো রুবিও বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্ত নিলে ইরানিরা নিজেদের দেশে অসাধারণ কিছু করার সুযোগ পাবে। তবে আমি আপনাদের এখনই কোনো নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না যে তারা এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তটি নেবেই। আমি শুধু বলছি, যদি তারা এই পথ বেছে নেয়, তবে সেখানে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে। এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ যেভাবে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) থেকে লাভবান হয়েছে, ইরানও ঠিক একইভাবে উপকৃত হতে পারবে। তবে মনে রাখতে হবে, বিনিয়োগগুলো সরাসরি মার্কিন সরকারের হবে না।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গতিপথ মূলত নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে যাওয়া ‘বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুতে’ কতটা অগ্রগতি বা সমঝোতা হয়, তার ওপর।
একই সঙ্গে তিনি, লেবানন সংকটের বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা এবং তা তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান মূল আলোচনা থেকে পুরোপুরি পৃথক রাখা হবে বলে মন্তব্য করেন।
সময়ের আলো/জেডি