জলবায়ু সহনশীলতা, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভাবনী উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বরেন্দ্র এলাকা স্থিতিস্থাপক ও উদ্ভাবনী উন্নয়ন (বারিন্দ) প্রকল্পের সূচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫জুন) ইন্সটিটিউট অফ ওয়াটার মডেলিং (আই ডাব্লিউ এম) এর আয়োজনে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এই সূচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান ফির তুহিন, কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মো: কামরুজ্জামান, এনডিসি (অতিরিক্ত সচিব)।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আই ডাব্লিউ এমর উপ-নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) সোহেল মাসুদ, ন্যাচারাল রিসোর্সেস অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল ইকোনমিস্ট, এডিবির প্রিন্সিপাল শিঙ্গো কিমুরা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক উপ-উপাচার্য ড. চৌধুরী সারোয়ার জাহান, এডিবির প্রিন্সিপাল ইকোনমিস্ট ড. তাকাশি ইয়ামানো, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) অধ্যাপক ড. মো: নেয়ামুল বারি, বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো: আবুল কাসেম। কর্মশালার স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ফোকাল পার্সন ও বিএমডির নির্বাহী প্রকৌশলী, হারুন-অর-রশিদ।
কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাগণ সহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগন কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বারিন্দ অঞ্চল স্থিতিস্থাপক ও উদ্ভাবনী উন্নয়ন (বারিন্দ) প্রকল্প কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়। এটি বারিন্দ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি পানি নিরাপত্তা, কৃষি উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত উদ্যোগ। প্রকল্পটি টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে এই জাতীয় অগ্রাধিকারগুলো অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বক্ততারা আরও বলেন, বিগত দশক গুলোতে কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সত্ত্বেও, এই অঞ্চলটি জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস, বারবার খরা, ভূমি অবক্ষয় এবং পানি সম্পদের উপর ক্রমবর্ধমান চাপের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রকল্প বারিন্দ অঞ্চলের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
সময়ের আলো/আতা