একটিমাত্র টেস্ট ম্যাচ কিন্তু গুরুত্ব যেন একটি পুরো মৌসুমের সমান। কারণ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই লড়াই শুধু আরেকটি জয় পাওয়ার সুযোগ নয় বরং সামনে অপেক্ষা করা কঠিন বিদেশ সফরগুলোর প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চও। সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিক উন্নতির পথে থাকা বাংলাদেশ সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই হারারেতে মাঠে নামতে প্রস্তুত।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠেও তাই আত্মবিশ্বাসের সুর, তবে সেই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা।
ম্যাচের আগে শান্ত জানান, দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটার আগেভাগেই জিম্বাবুয়েতে পৌঁছে স্থানীয় কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এতে ম্যাচের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সহজ হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা বেশ কিছু প্লেয়ার কয়েক দিন আগে আসছি। ওই এডজাস্টমেন্টটা আমাদের ভালোভাবেই হয়েছে। আমি আশা করছি যে ম্যাচের জন্য আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। কিছু প্লেয়ার পরে আসছে কিন্তু ওরাও গত কয়েক দিনের প্র্যাকটিসে অনেকটাই অ্যাডজাস্ট করে ফেলেছে। আশা করছি যে ম্যাচে খুব বেশি একটা অ্যাডজাস্টমেন্টে প্রবলেম হবে না।
প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মতে, স্থানীয় সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করেই নিজেদের সেরা প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছে দল। শান্তর ভাষ্য- প্রিপারেশন ওয়াইজ আমরা ভালো প্রিপারেশন নিতে পেরেছি। যতটুকু এখানে ফ্যাসিলিটিস ছিল ওর মধ্য দিয়ে আমরা বেস্ট প্রিপারেশনটা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সবাই কনফিডেন্ট আছে। গত কয়েকটা সিরিজ আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি এবং আমি বিশ্বাস করি যে এই টেস্ট ম্যাচটাতে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।
তবে শুধু এই ম্যাচ জেতাই নয়, সামনে থাকা কঠিন বিদেশ সফরগুলোকেও মাথায় রাখছে বাংলাদেশ। তাই শান্ত মনে করেন, ভালো ক্রিকেট খেলতে পারাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ‘ম্যাচটা জিততে চাই এবং ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। কারণ এই সিরিজের পরে আমাদের বেশ কিছু অ্যাওয়ে সিরিজ আছে।
এই সিরিজটাতে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারছি এটা ইম্পর্ট্যান্ট। ব্যাটসম্যান এবং বোলাররা এখানে যদি ভালো করতে পারে এটা আমাদের সামনের সিরিজগুলোর জন্যও কাজে আসবে। লক্ষ্য থাকবে যে কত ভালো ক্রিকেট আমরা খেলতে পারি।
সময়ের আলো/জেডি