প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ভিসা আমরা সব সময়ই দিয়েছি। আমরা বাংলাদেশকে আমাদেরই অঙ্গ মনে করি।
দিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা বাংলাদেশকে নিজেদেরই অংশ মনে করি। কিন্তু তারা যদি আমাদের শত্রুর মতো আচরণ করে, তাহলে আমাদেরও কঠোর হতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতা ও দিল্লিতে আসেন। তার দাবি, বাংলাদেশে চিকিৎসা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক রোগী ভারতে চিকিৎসা নিতে আসেন।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গের এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও বাড়ুক। এতে দুই পক্ষই লাভবান হবে। বাংলাদেশে অনেক শিল্প-কারখানা নেই। পশ্চিমবঙ্গ থেকে চাল, ডাল, তেল, নুন, কাপড়, ফলসহ নানা পণ্য সেখানে রফতানি হয়।
দিলীপ ঘোষ আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের বাজারে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে। তাই দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বাণিজ্য ও যাতায়াত পুনরায় চালু হওয়া জরুরি।
তার ভাষায়, আবার ব্যবসা শুরু হোক, ভিসা চালু হোক, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক— এটাই আমরা চাই। এখন বাংলাদেশও বুঝতে পেরেছে, এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি তাদেরই হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা প্রদান স্থগিত করেছিল ভারত সরকার। তবে রোববার (২৮ জুন) থেকে বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সময়ের আলো/আআ