বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি। আসিয়ান বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সফল আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট, যার সম্মিলিত জিডিপি বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রায় ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষের এই বিশাল বাজার বাংলাদেশের রফতানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া সফরকে নিঃসন্দেহে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এই সফর শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন নতুন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা, উৎপাদন কেন্দ্র ও বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য খুঁজছে, তখন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে আরও গভীর অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার এটি একটি সময়োপযোগী সুযোগ।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। স্বাধীনতার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সৌহার্র্দ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মালয়েশিয়া আজ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার, বিনিয়োগকারী দেশ এবং শ্রমবাজার। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গতিশীল অর্থনীতি হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য আসিয়ান অঞ্চলে প্রবেশের একটি কার্যকর প্রবেশদ্বার।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, পাট ও কৃষিপণ্য রফতানি করা হয়। অন্যদিকে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ আমদানি করে পাম অয়েল, শিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক দ্রব্য, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য, যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন শিল্প উপকরণ। তবে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এই বাণিজ্যের পরিমাণ এখনও অনেক কম। ফলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি, যেখানে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় রফতানির পরিমাণ ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ প্রায় ২.৪-২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। প্রতি বছর তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই সুযোগকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই করতে হলে অবশ্যই স্বচ্ছ, ন্যায্য, জবাবদিহিমূলক এবং কম ব্যয়সাপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের অন্যতম তাৎপর্য হলো- দুই দেশ এখন শুধু শ্রমবাজারকেন্দ্রিক সম্পর্কের বাইরে গিয়ে একটি বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহী। বর্তমান বিশ্বে কেবল পণ্য বাণিজ্যই যথেষ্ট নয়; প্রযুক্তি স্থানান্তর, যৌথ বিনিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই শিল্পায়নই ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।
বিশেষ করে উৎপাদন শিল্প, নির্মাণসামগ্রী, অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, ইলেকট্রনিক্স, হালাল শিল্প, কৃষি প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। মালয়েশিয়া উচ্চমূল্য সংযোজিত উৎপাদন, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প, হালাল অর্থনীতি এবং আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বর্তমানে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠনের ফলে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন কেন্দ্র বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, শিল্পপার্ক এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স, মেডিকেল ডিভাইস, অটোমোটিভ কম্পোনেন্ট, হালাল খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং নির্মাণসামগ্রী শিল্পে যৌথ বিনিয়োগ দুই দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে হালাল শিল্প এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল।
মালয়েশিয়া বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ হালাল অর্থনীতির দেশ, যেখানে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল সার্টিফিকেশন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফার্মাসিউটিক্যালস, কসমেটিকস, হালাল লজিস্টিকস এবং হালাল সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে রয়েছে বৃহৎ মুসলিম ভোক্তা বাজার, প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন ব্যয় এবং খাদ্য, ওষুধ, কৃষি ও ভোগ্যপণ্য উৎপাদনের শক্তিশালী ভিত্তি। মালয়েশিয়ার প্রযুক্তি, সার্টিফিকেশন ও বিনিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতার সমন্বয় ঘটলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক হালাল বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও রফতানিকেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
একইভাবে, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে কৌশলগত ও উচ্চমূল্য সংযোজিত শিল্পগুলোর একটি। মালয়েশিয়া বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, প্যাকেজিং এবং ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং সাপ্লাই চেইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। অন্যদিকে বাংলাদেশ দ্রুত বিকাশমান ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন, তথ্য-প্রযুক্তি খাত, তরুণ দক্ষ জনশক্তি এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সক্ষমতা অর্জন করছে।
দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনবল উন্নয়ন, যৌথ বিনিয়োগ, গবেষণা ও উন্নয়ন, ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদন এবং সেমিকন্ডাক্টর সম্পর্কিত শিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বৈশ্বিক উচ্চপ্রযুক্তি সরবরাহ শৃঙ্খলে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া সফর এই দুই সম্ভাবনাময় খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির নতুন ভিত্তি তৈরি করেছে, যা আগামী দিনে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করে তুলতে পারে। উল্লেখ্য, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা দুই দেশের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, যৌথ বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি। আসিয়ান বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সফল আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট, যার সম্মিলিত জিডিপি বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রায় ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষের এই বিশাল বাজার বাংলাদেশের রফতানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাংলাদেশকে শুধু মালয়েশিয়ার বাজারেই নয়, বরং সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া এবং লাওসসহ সমগ্র আসিয়ান অঞ্চলে প্রবেশের সুযোগ আরও সহজ করে দিতে পারে।
বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হবে।
অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক সুবিধা কমে আসবে। তাই নতুন মুক্তবাণিজ্য চুক্তি অথবা ঈড়সঢ়ৎবযবহংরাব ঊপড়হড়সরপ চধৎঃহবৎংযরঢ় অমৎববসবহঃ (ঈঊচঅ)-এর মতো উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সম্ভাব্য অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি শুধু দুই দেশের বাণিজ্য বাড়াবে না; বরং বাংলাদেশের শিল্প ও রফতানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বৃদ্ধি করবে।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বিশ্বাস করে, এখন সময় এসেছে সরকারি পর্যায়ের আলোচনাকে বাস্তব ব্যবসায়িক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার। এই লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাতের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। ব্যবসা থেকে ব্যবসা সংযোগ বৃদ্ধি, যৌথ বিনিয়োগ ফোরাম, ট্রেড মিশন, সেক্টরভিত্তিক বিজনেস ম্যাচমেকিং, প্রযুক্তি বিনিময় এবং উদ্যোক্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।
দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, স্টার্টআপ, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এবং যুব উদ্যোক্তা উন্নয়নেও যৌথ কর্মসূচি গ্রহণ করা যেতে পারে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফিনটেক, সাইবার সিকিউরিটি, স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ডিজিটাল সেবা খাতে বাংলাদেশি তরুণদের জন্য মালয়েশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা নতুন কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। তারা শুধু রেমিট্যান্স পাঠান না; বরং দুই দেশের ব্যবসা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। তাদের অভিজ্ঞতা, নেটওয়ার্ক এবং উদ্যোক্তা সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সৃষ্টি করা সম্ভব। আজকের বিশ্বে অর্থনৈতিক কূটনীতি একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের জন্যও এখন সময় এসেছে কূটনৈতিক সম্পর্ককে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগে রূপান্তর করার। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া সফর সেই সম্ভাবনারই একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, সরকার, বেসরকারি খাত, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক আগামী দিনে শুধু দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সফল অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে পরিণত হবে।
এই সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ তার রফতানি বহুমুখীকরণ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে গভীর অর্থনৈতিক সংযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি নতুন প্রবৃদ্ধির অধ্যায় সূচনা করতে সক্ষম হবে।
লেখক : যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
মতামত লেখকের নিজস্ব
সময়ের আলো/এসএকে