গাজীপুর মহানগরীর শিল্পাঞ্চল টঙ্গীতে আলোচিত সশস্ত্র মোটরসাইকেল মহড়া, চাঁদা দাবি ও ঝুট ব্যবসা দখলের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় দুই দিনে এ মামলায় মোট ১১ গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবা গত রাতে তিনজন এবং বুধবার দিবা গত রাত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বাকি আট জনকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বাদী ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান থানায় দায়ের করা এজাহারে টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব নাজমুল হোসেন মন্ডলসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, রিয়াজন রাজন (৩০), জাহাঙ্গীর শেখ জমির (২৭), জহির (৩৩), বায়েজিদ (২৯), রাজিব হাসান (২৯), হোসাইন (৩৪), রাসেল খাবরী (২৮) এবং সাগর নয়ন (২০)।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে মনোয়ার হোসেন (২৮), তৌহিদুল সজীব (৩৫) ও রনি খাঁ (৩৯) নামে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গী এলাকায় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জিত মালামাল (ঝুট) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
অভিযোগে বলা হয়, চলতি বছরের ২৭ জুন টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব নাজমুল হোসেন মন্ডলের নেতৃত্বে একটি চক্র তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করলে পরদিন ২৮ জুন দুপুরে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে সশস্ত্র মহড়া দিয়ে তার ব্যবসা দখলের চেষ্টা করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মহড়ার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা একটি কারখানায় প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নুরুজ্জামানের কাছে বর্জিত মালামাল বিক্রি না করার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মামলার ১১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সময়ের আলো/আতা