ভারী বর্ষণে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ধস ও বন্যার শঙ্কা

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

সারাদেশ

বৈরী আবহাওয়া ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত শনিবার (৪ জুলাই) থেকে থেমে

2026-07-07T19:24:12+00:00
2026-07-07T19:24:12+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬,
২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
ভারী বর্ষণে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ধস ও বন্যার শঙ্কা
দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৪ পিএম 
ভারী বর্ষণে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ধস ও বন্যার শঙ্কা
বৈরী আবহাওয়া ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত শনিবার (৪ জুলাই) থেকে থেমে থেমে ভারী বর্ষণে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। খাগড়াছড়ির দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং হেডকোয়ার্টার নামক স্থান আংশিক প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টির তীব্রতা অব্যাহত থাকলে দীঘিনালাসহ সাড়া দেশের সঙ্গে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।



এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে উপজেলার নদী-ছড়া ও খালগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে গ্রামাঞ্চলের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এতে হাজারো মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কবাখালি ইউনিয়নের আমবাগান এলাকার বাসিন্দা শাহের আলী বলেন, আর দুই হাত পানি হলে ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে। কিন্তু পরিবার ও গবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে থাকাটা কষ্টসাধ্য। এজন্য চিন্তায় আছি কী করবো?


মেরুং ইউনিয়নের সোবাহানপুর এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, বন্যা হলো আমাদের মতো নদী পাড়ের মানুষের জন্য প্রতি বছরের নিয়ম করা দুর্যোগ। গরীব মানুষ আমরা, কোনোরকম চাষাবাদ করে পরিবার নিয়ে চলে-ফিরে খাই, তাই বাধ্য হয়েই পানি উঠলেও থাকতে হয়। কারণ আমাদের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। কপালে আল্লায় যা রাখছে তাই হবে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সময়ের আলো/জোই


  বিষয়:   ভারী বর্ষণ  দীঘিনালা  নিম্নাঞ্চল প্লাবিত  পাহাড়ধস  বন্যার শঙ্কা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: