শুধু দক্ষতা নয়, কর্মসংস্থানও চাই

ড. মতিউর রহমান

মতামত

একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল একটি উন্নত জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্বাস। পরিবারের সঞ্চয়, অভিভাবকের ত্যাগ আর একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ পরিশ্রমের শেষ

2026-07-08T05:53:53+00:00
2026-07-08T05:53:53+00:00
 
  বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬,
২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
মতামত
শুধু দক্ষতা নয়, কর্মসংস্থানও চাই
ড. মতিউর রহমান
প্রকাশ: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৩ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল একটি উন্নত জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্বাস। পরিবারের সঞ্চয়, অভিভাবকের ত্যাগ আর একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ পরিশ্রমের শেষ গন্তব্য ছিল একটি সম্মানজনক চাকরি। কিন্তু সময় বদলেছে। আজ বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার তরুণ-তরুণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন, অথচ তাদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকছেন। 

কেউ যোগ্যতার তুলনায় কম দক্ষতার কাজে যোগ দিচ্ছেন, কেউ বছরের পর বছর সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ হতাশ হয়ে পেশা পরিবর্তন করছেন। এই বাস্তবতায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত ব্যাখ্যা হলো- আমাদের স্নাতকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব রয়েছে। তাই দক্ষতা বাড়াতে পারলেই শিক্ষিত বেকারত্ব কমে যাবে। কথাটি পুরোপুরি ভুল নয়, কিন্তু পুরো সত্যও নয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য উদ্বেগজনক একটি বাস্তবতা তুলে ধরে। দেশে সামগ্রিক বেকারত্বের হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার অনেক বেশি। অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশই কাজ পাচ্ছে না। এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে- সমস্যাটি শুধু ব্যক্তিগত দক্ষতার নয়; শ্রমবাজারের কাঠামো এবং অর্থনীতির কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষতা উন্নয়ন যেন কর্মসংস্থান নীতির মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ দক্ষতা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মুক্ত পেশার কাজ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন- সব ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগ প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী। কারণ আধুনিক অর্থনীতিতে শুধু ডিগ্রি নয়, বাস্তব দক্ষতারও মূল্য রয়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না- সব স্নাতক যদি আগামীকাল থেকেই এসব দক্ষতা অর্জন করেন, তা হলে কি তাদের সবার জন্য পর্যাপ্ত চাকরি তৈরি হবে?

উত্তরটি শ্রমবাজারের একটি মৌলিক বাস্তবতায় নিহিত। কর্মসংস্থান নির্ভর করে দুটি বিষয়ের ওপর- একদিকে কাজ করার উপযুক্ত মানুষের সংখ্যা ও দক্ষতা, অন্যদিকে অর্থনীতিতে নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি। আমরা প্রথমটি নিয়ে অনেক কথা বলি, দ্বিতীয়টি নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম আলোচনা করি। অথচ যত দক্ষ জনশক্তিই তৈরি করা হোক না কেন, নতুন বিনিয়োগ, নতুন শিল্প, নতুন ব্যবসা ও নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি না হলে সেই দক্ষতার পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য। তৈরি পোশাক শিল্প, প্রবাসী আয়, কৃষি, নির্মাণ ও সেবা খাত দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়েছে। কিন্তু প্রবৃদ্ধির আরেকটি দিকও রয়েছে। এসব খাত লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করলেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিত তরুণদের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক পেশাগত চাকরি তৈরি করতে পারেনি। ফলে উচ্চশিক্ষিত কর্মীর জোগান দ্রুত বাড়লেও তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত থেকে গেছে।

এই পরিস্থিতির আরেকটি প্রতিফলন দেখা যায় সরকারি চাকরির প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণে। কয়েকশ পদে নিয়োগের জন্য লাখ লাখ আবেদন জমা পড়ে। একটি বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কয়েক লাখ ছাড়িয়ে যাওয়া এখন আর অস্বাভাবিক নয়। বিষয়টি শুধু সরকারি চাকরির প্রতি আগ্রহের নয়; এটি বেসরকারি খাতের সীমিত আস্থা ও অনিশ্চয়তারও প্রতিফলন। 

কর্মপরিবেশ, চাকরির নিরাপত্তা, দক্ষতার মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ- এসব ক্ষেত্রে এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাশিত মান তৈরি হয়নি। ফলে তরুণদের বড় একটি অংশ নিরাপদ কর্মজীবনের আশায় সরকারি চাকরিকেই একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

এর পাশাপাশি শিক্ষিত বেকারত্বের আরেকটি নীরব সংকট হলো শিক্ষাগত যোগ্যতার অপূর্ণ ব্যবহার। অনেক স্নাতক এমন কাজে যুক্ত হচ্ছেন, যেখানে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার খুব সামান্যই প্রয়োগ হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে এতে কোনো অসম্মান নেই; যেকোনো সৎ কাজই সম্মানের। কিন্তু রাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি মানবসম্পদের অপচয়। একজন দক্ষ প্রকৌশলী, অর্থনীতিবিদ বা সমাজবিজ্ঞানী যদি এমন কাজে নিয়োজিত হন যেখানে তার বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের প্রয়োজনই নেই, তা হলে ব্যক্তি যেমন তার সামর্থ্যরে পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারেন না, তেমনি রাষ্ট্রও উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল পায় না।

এ কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম এখনও সময়োপযোগী নয়। গবেষণার সুযোগ সীমিত, ব্যবহারিক শিক্ষার পরিসর ছোট, আর শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কও দুর্বল। ফলে অনেক শিক্ষার্থী কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সময় বাস্তব অভিজ্ঞতার ঘাটতিতে ভোগেন। এই দুর্বলতাগুলো অবশ্যই দূর করতে হবে। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে আধুনিক পাঠ্যক্রমও এমন একটি অর্থনীতিতে সবার জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারবে না, যেখানে মানসম্পন্ন চাকরির সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

শ্রমবাজারের আরেকটি বাস্তবতা হলো, চাকরি সবসময় শুধু পরীক্ষার ফল বা শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পাওয়া যায় না। কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচয়, পেশাগত যোগাযোগ, শিক্ষানবিশের অভিজ্ঞতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী মার্ক গ্রানোভেটার দেখিয়েছেন, অনেক মানুষ আনুষ্ঠানিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির চেয়ে সামাজিক ও পেশাগত যোগাযোগমাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ পান। 

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা বিভিন্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক পটভূমি থেকে আসা তরুণদের সুযোগ এক নয়। ফলে একই ধরনের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই কাক্সিক্ষত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হন। তাই দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করে তোলাও জরুরি।

একই সঙ্গে আমাদের অর্থনীতির কাঠামো নিয়েও নতুন করে ভাবতে হবে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং রফতানি আয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু প্রবৃদ্ধির গুণগত মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এমন প্রবৃদ্ধি, যা মূলত স্বল্প দক্ষতার শ্রমনির্ভর কয়েকটি খাতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে না। অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে এমন খাতে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং বিশেষায়িত জ্ঞানের চাহিদা বেশি।

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ আর্থার লুইস দেখিয়েছিলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরের ওপর। অর্থাৎ কম উৎপাদনশীল খাত থেকে বেশি উৎপাদনশীল শিল্প ও সেবা খাতে অগ্রসর হতে হবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। 

তৈরি পোশাক শিল্প আমাদের অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি, কিন্তু শুধু একটি বা দুটি খাতের ওপর নির্ভর করে শিক্ষিত কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। ওষুধ শিল্প, চিকিৎসাসেবা, কৃষিপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণা, নকশা, আর্থিক সেবা এবং সৃজনশীল শিল্পে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ছাড়া উচ্চশিক্ষিত তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না।

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে। তাই দক্ষতা উন্নয়নের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কিন্তু প্রযুক্তি নিজে কখনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে না। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় তখনই, যখন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন শিল্প, নতুন বাজার, নতুন বিনিয়োগ এবং নতুন উদ্যোগ গড়ে ওঠে। অর্থাৎ দক্ষতা ও প্রযুক্তি প্রয়োজনীয়, কিন্তু সেগুলো তখনই কার্যকর হয়, যখন অর্থনীতি সেগুলো গ্রহণ করার মতো সক্ষমতা অর্জন করে।

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন উন্নয়নকে মানুষের সক্ষমতা ও সুযোগের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখেছেন। এই ধারণা আমাদের একটি মৌলিক শিক্ষা দেয়। শিক্ষা মানুষের সক্ষমতা তৈরি করে, কিন্তু সেই সক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা রাষ্ট্র, বাজার এবং নীতিনির্ধারকদের দায়িত্ব। একইভাবে দানি রড্রিক দেখিয়েছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান অপরিহার্য। শুধু প্রবৃদ্ধির হার বাড়লেই হবে না; সেই প্রবৃদ্ধি কত মানুষের জন্য মানসম্মত কাজ সৃষ্টি করছে, সেটিই উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড।


এ কারণে নীতিগত অগ্রাধিকারও নতুনভাবে নির্ধারণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম, গবেষণা, উদ্ভাবন, বিশ্লেষণী দক্ষতা, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময়ই কর্মজগতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান। 

অন্যদিকে সরকারকে এমন বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন শিল্প গড়ে উঠবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সম্প্রসারিত হবে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি যেন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রীয় লক্ষ্য হয়, শুধু প্রবৃদ্ধি অর্জনের উপজাত নয়। স্নাতক বেকারত্ব আসলে আমাদের উন্নয়নযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। 

এটি বলে দেয়, শিক্ষা, অর্থনীতি এবং শ্রমবাজারের মধ্যে কোথাও একটি ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। সেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ হওয়ার পরামর্শ দিলেই চলবে না; অর্থনীতিকেও আরও কর্মসংস্থানমুখী করে তুলতে হবে। দক্ষতা মানুষের সম্ভাবনাকে বিকশিত করে, কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, উদ্ভাবন এবং একটি গতিশীল শ্রমবাজার।

সুতরাং স্নাতক বেকারত্বের সমাধান কেবল শ্রেণিকক্ষে নয়, কারখানায়; শুধু প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নয়, বিনিয়োগ নীতিতে; শুধু শিক্ষার্থীর চেষ্টায় নয়, রাষ্ট্রের উন্নয়ন কৌশলেও নিহিত। বাংলাদেশ যদি সত্যিই তার জনমিতিক সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে চায়, তা হলে আরও দক্ষ স্নাতক তৈরির পাশাপাশি তাদের জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ শিক্ষা মানুষকে কাজ করার যোগ্য করে তোলে, কিন্তু কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে একটি দূরদর্শী রাষ্ট্র, উদ্ভাবনী অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানমুখী উন্নয়ননীতি।

গবেষক ও উন্নয়ন পেশাজীবী

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 



  বিষয়:   দক্ষতা  কর্মসংস্থান  মতামত 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: