ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতায় বিশ্ববাসী স্বস্তি পেয়েছিল। বাংলাদেশের জন্যও এটা ছিল বড় স্বস্তির বিষয়। তবে কথিত ওই সমঝোতার পরও পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। পাশাপাশি স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে আলোচনায়ও আছে দুই পক্ষ। পুরো বিষয়টা কিছুটা কৌতুককর চেহারাও নিয়েছে বলা যায়। উভয় পক্ষ এই যুদ্ধে বিজয় দাবি করছে, তারা যুদ্ধবিরতির কথা বলছে, সমঝোতা চুক্তি করছে এবং প্রায়ই পরস্পরের দিকে বোমা-বারুদও ছুড়ছে।
বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা যে কতটা নৈরাজ্যভরা এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থাগুলোর যে আর কোনো কার্যকারিতাই নেই, তারই মোটাদাগের এক নজির যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে চলমান ঘটনাবলি- যার কিছু অংশ ট্র্যাজেডির মতো, কিছু অংশ প্রহসনে ভরা। প্রায় চার মাস হলো এই যুদ্ধের। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হয়। এখনও সেটাই থেমে থেমে চলছে বলা যায়। ইরানও তার উত্তর দিচ্ছে সমানে। তার আগেও গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মিলে ১২ দিন ধরে ইরানে আগ্রাসন চালিয়েছিল। তারপর শুরু হয় এ বছরের যুদ্ধ।
তাৎক্ষণিকভাবে এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের আগে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৭০ ডলারের মতো। এপ্রিলে সেটা ১২৬ ডলারে গিয়ে ঠেকে। এখন আবার সেটা কমছে বটে কিন্তু জিনিসপত্রের দাম কমে আগের অবস্থায় না-ও যেতে পারে। ২০২৫-এর চেয়ে এবারের যুদ্ধে ইরান ভিন্ন কৌশল নেয়। তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা মাত্র বিশ্ব পুঁজিতন্ত্রের নাভিশ্বাস ওঠে। স্বাভাবিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতির কথা না শুনে উপায় নেই যুক্তরাষ্ট্রের। অনিচ্ছাসত্ত্বেও আগ্রাসনের লাগাম টেনে ধরতে হয় ট্রাম্পকে।
এ মুহূর্তে যুদ্ধ আর প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম নেই। ইরান বা ইসরাইলের আকাশে মিসাইল ব্যারেজও আর আগের মতো দেখা যাচ্ছে না। ইরানের শাসকরা ব্যক্তিগতভাবে অনেকে নিহত হলেও তাদের শাসনব্যবস্থাও অক্ষত রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সরকার বদলাতে পারেনি। তবে পর্যুদস্ত না হলেও ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত ইরান।
ভূরাজনৈতিক ভাষ্যকারদের বড় অংশই অবশ্য মনে করেন চার মাসের বোমা ছোড়াছুড়ি শেষে ক্ষয়ক্ষতির অংশ বাদ দিয়ে যদি যার যার প্রাপ্তির হিসাব করা হয় তা হলে ইরানই লাভবান হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে ও উপসাগরীয় অঞ্চলে চলতি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভূরাজনৈতিক মেরুকরণে বেশ নাড়াচাড়া দিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা নিঃসন্দেহে ময়দান ছেড়ে চলে যায়নি। যাবেও না। নেতানিয়াহুও জায়নবাদী যাবতীয় পরিকল্পনা নিয়ে একই রণভূমিতে আছেন। সমরবাদী শক্তিগুলোর টিকে থাকতে সবসময় একটা প্রতিপক্ষ লাগেই। একালের পুঁজিতন্ত্রের এ এক অনিবার্য কৌশল। তার যুদ্ধ প্রয়োজন। যুদ্ধ না থাকলে অন্তত উত্তেজনা।
তেল আবিব নতুন লক্ষ্যবস্তু করতে চাইছে তুরস্ককে। নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য উত্তরসূচি নাফতালি বেনেট ইতিমধ্যে বলেও ফেলেছেন, ‘আমাদের জন্য তুরস্ক হবে নতুন ইরান।’ ইসরাইলের মন্ত্রী গিলা গামলিয়েল এও বলেছেন, ‘আমরা এখন অটোমান সাম্রাজ্য মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
পুরোনো প্রতিপক্ষ ইরানের পাশাপাশি তুরস্ক ছাড়াও সিরিয়া, গাজা ও লেবাননের দিকে কুনজর বাড়াচ্ছে এখন ইসরাইল। মূলত সিরিয়ার মাটি ব্যবহার করে তুরস্কের সঙ্গে সংঘাত বাধাতে চাইবে তেল আবিব। সিরিয়ার জাতিগত বৈচিত্র্যকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে সেখানে অস্থিতিশীলতা তৈরির কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে জায়নবাদীরা। এতে করে সিরিয়ার অস্থিতিশীলতা সীমান্ত অতিক্রম করে তুরস্কেও ঢোকানো যাবে বলে তাদের অনুমান। আইএসকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ইরাকের অস্থিতিশীলতা সিরিয়ায় নিয়ে এসেছিল একদা।
সংগত কারণেই ইরান ও তার ছদ্ম বন্ধুদলও যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির মুখে একই ময়দানে থাকবে। তেহরান তার সব প্রক্সিকে রক্ষা করতে পারবে এমন না-ও হতে পারে। গাজায় হামাস এবং লেবাননে হিজবুল্লাহ এ মুহূর্তে গুরুতর অস্তিত্বের সংকটে আছে। সিরিয়াতেও আগের প্রভাব নেই তাদের। কিন্তু কোথাও থেকে ইরান পুরোপুরি হাত গুটিয়ে নেবে এমন ভাবাও ভুল। সংঘাত চলবে অনেকটাই পর্দার আড়ালে। এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভূরাজনৈতিক প্রভাব বাড়ানোর প্রচেষ্টা কেউই থামাচ্ছে না।
যুদ্ধ ইতিমধ্যে পুরো অঞ্চলে বন্ধুত্ব ও শত্রুতার সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে। যার ছাপ পড়ছে সুদূর দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত। এই যুদ্ধের মাঝেই ইসরাইল-ইন্ডিয়া সম্পর্ক অনেক গভীরতা পেয়েছে বহু খাতে। আবার একই সময় ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে পাকিস্তানের পুরোনো মিত্র আফগান তালেবানদের। এসবই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের দূরবর্তী পার্শ্বফল। এই তালিকায় যুক্ত করা যায় বেলুচিস্তানের অস্থিরতাকেও।
মধ্যপ্রাচ্যেও এ রকম পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক মেরুকরণ দেখব আমরা ব্যাপকভাবে। যে মেরুকরণে পুরোনো ‘বন্ধু’রা আর আগের মতো থাকবে না, বরং আগে যারা দূরে দূরে ছিল এমন অনেক শক্তি কাছাকাছি আসবে। কাছাকাছি থাকা অনেকে দূরে সরে যাবে। উত্তেজনার ভরকেন্দ্রও হয়তো আর ইরান থাকবে না। ইসরাইলও আর আগের মতো নিজেকে অজেয় ও সুরক্ষিত ভাবতে পারবে না- কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ আগের মতোই প্রশ্নহীনভাবে তার সমর্থনে দাঁড়িয়ে যাবে এমন না-ও হতে পারে।
একই ঘটনা ঘটতে চলেছে উপসাগরীয় দেশগুলোর বেলাতেও। ইরানকে হুমকি ভেবে একদা তারা ‘গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল’ করেছিল। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অন্ধভাবে ভরসা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। কিন্তু ইরানমুখী ইসরাইলের আগ্রাসী নীতিও যে উপসাগরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে সেটা ভাবেনি তারা।
প্যালেস্টাইন সমস্যার সমাধানে অতীতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে একাট্টা থাকলে এই দেশগুলোকে হয়তো আজকের পরিণতিতে পড়তে হতো না। এখন ইরান তাদের নিরাপত্তার ফানুস ধ্বংস করে দেওয়া মাত্র এ বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হবে তাদের। তাদের পুরোনো সুরক্ষা-নকশা ভেঙে গেছে ইরানের পুনঃপুন মিসাইল বৃষ্টিতে। এই অঞ্চলের শেখ পরিবারগুলোকে এখন রাজত্ব ও সম্পদ সুরক্ষিত করে নতুন সামরিক অভিভাবক খুঁজতে হবে। অনেকে হয়তো তেল আবিবের দিকেও মৈত্রীর হাত খুঁজবে।
ইতিমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নানা বিষয়ে মতদ্বৈধতা বাড়ছে। বাহরাইন ও আরব আমিরাত যতটা একদিকে ততটাই অন্যদিকে কাছাকাছি দেখা যাচ্ছে সৌদি আরব, ওমান ও কাতারকে। আরব আমিরাত নিরাপত্তা প্রশ্নে ভারত ও ইসরাইলের সঙ্গে যখন ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে, সৌদি আরব তখন পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক জোট করতে তৎপর। তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এবারের চূড়ান্ত বার্তা হলো, আত্মরক্ষায় পরনির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিশ্বাসী বন্ধুও এবার তাদের পাশে ছিল না।
এই শিক্ষার কারণে এখন থেকে তারা প্রতিরক্ষায় স্বাবলম্বিতার পাশাপাশি সামরিক ব্লক গড়ার দিকেও হাঁটবে। বৈশ্বিক সামরিক শিল্পের জন্য সেটা বড় এক উৎসাহের দিক। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক সেদিকে তাকিয়ে আছে! পরিবর্তিত পরিস্থিত ধীরে ধীরে দানা বাঁধবে কূটনীতির আড়ালে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ বলা যায় মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে কূটনৈতিক ইতিহাসের নতুন এক অধ্যায়ের জন্ম দিতে চলেছে। যা নিশ্চিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যময় এতদিনকার ছবিটির চেয়ে ভিন্নতর কিছু দেখাবে আমাদের।
অনেক আঞ্চলিক শক্তি নিজেদের প্রভাবের পরিসর বাড়াতে এ মুহূর্তে মরিয়া চেষ্টা করছে। এর মাঝে তুরস্ক ও কাতারের ভূমিকা বাড়তি নজর দাবি করছে নিঃসন্দেহে। এশিয়া এবং আফ্রিকার বহু দেশে এরদোগান তার দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছেন। বাংলাদেশও নিশ্চয়ই সেটা টের পাচ্ছে। কাতারের বিস্তার ততটা প্রকাশ্যে না হলেও প্রভাবের পরিসর বাড়াতে তারাও অতিমাত্রায় সক্রিয়।
এ রকম দৃশ্যপটে ভারত ও চীনের সক্রিয়তা বাড়বে নৌপরিসরে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে এবারের টানাপোড়েন থেকে শিক্ষা নিয়ে এই বড় দুই অর্থনীতি তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌশক্তি বাড়াতে বাড়তি নজর দেবে। আশপাশের সাগর-মহাসাগরে তাদের উপস্থিতি বাড়বে ক্রমাগত।
বৈশ্বিক যুদ্ধবিদ্যা প্রথাগত সৈনিকনির্ভর সশস্ত্র বাহিনীরও যে ইতি টানতে চলেছে তারও বড় প্রদর্শনী হলো এবার মধ্যপ্রাচ্যে। মূলত ড্রোন, মিসাইল এবং আকাশরক্ষা প্রযুক্তি এই যুদ্ধের সামরিক নায়ক-খলনায়ক ছিল। প্রতিরক্ষা চিন্তা, প্রতিরক্ষা বাজেট এবং সামরিক সরঞ্জাম শিল্পে এসবই ব্যাপক প্রভাব ঘটাবে। এবার যেভাবে ছোট ছোট ড্রোন সৌদি আরবের বিশাল বিশাল তেল স্থাপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছে সেটা প্রহরী দিয়ে অর্থনৈতিক স্থাপনা সুরক্ষার ধারণা আমূল পাল্টে দেবে। সবশেষ যুদ্ধে ইরানের কৌশল আরেকটি বিশেষ বার্তাও ছড়িয়েছে। সেটা হলো শুধু প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এবং গোলা-বারুদের বাড়তি মজুদ দিয়ে যুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থা ধরে রাখা যায় না। বরং ভূকৌশলগত পদক্ষেপও যুদ্ধে সিদ্ধান্তসূচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ওয়াশিংটন ভেবেছিল ইরানের গোলা-বারুদ সক্ষমতা ধ্বংস করলেই সেখানকার শাসকরা পালিয়ে বাঁচবে। কিন্তু কার্যত সেরকম কিছু হয়নি। হরমুজ প্রণালিকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের গতানুগতি সমরচিন্তার অসারতা প্রমাণ করেছে ইরান।
যুদ্ধে ওয়াশিংটন যে তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় এলো সেটা নিশ্চিতভাবে ইরানের সামরিক সামর্থ্যরে কারণে ঘটেনি। হরমুজ কৌশলের ফলে ঘটেছে। বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট ছোট দেশগুলো ‘ফায়ার পাওয়ারে’র পাশাপাশি এ রকম কৌশলগত ক্ষেত্রগুলোর দিকেও আগামীতে নজর বাড়াবে। যে যার মতো করে কৌশলগত সুবিধার জায়গা খুঁজবে।
মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক এ রকম একটা ভবিষ্যৎ চিত্রের মাঝে বাংলাদেশেরও নতুন ধারার কূটনীতি প্রয়োজন। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। ঢাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান এক উৎস মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার। ফলে সেখানকার আসন্ন ভূরাজনৈতিক পালাবদলে বাংলাদেশকেও সজাগ থাকতে হবে এবং প্রতিনিয়ত বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। ওই অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্কটা আগের মতো রেখে দিতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ। যুদ্ধশেষের এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে ব্যাপক পুনর্ভাবনা এবং পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন।
যুদ্ধোত্তর পরিবেশে মধ্যপ্রাচ্যে এ মুহূর্তটি প্যালেস্টাইনিদের জন্যও কঠিন এক মুহূর্ত হাজির করেছে। দুই দশক আগেও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সমস্যার সমাধান যে মাত্রায় বিশ্ব কূটনীতিতে গুরুত্ব পেত এখন আর সেটা পাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে দেশগুলোর মাঝে পারস্পরিক আস্থাহীনতা ও অবিশ্বাস এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। সবাই নিজ নিজ স্বার্থচিন্তায় আপন ভবিষ্যৎ সাজাচ্ছে।
এ রকম মুহূর্তে প্যালেস্টাইন প্রশ্নে তারা একজোট হয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে বা পিএলওকে মদদ দেবে এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে প্যালেস্টাইন আন্দোলনের কৌশল নিয়ে গুরুতর পুনর্ভাবনা দরকার এ মুহূর্তে। কিন্তু প্যালেস্টাইনিদের স্বার্থ দেখার বড় দায়িত্ব যাদের সেই ওআইসি জোট বহুকাল ধরে নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছে। সবশেষ এই যুদ্ধ নিশ্চয়ই এটাও আরেকবার দেখাল, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ধর্মভিত্তিক একক স্বার্থ বলে কিছু নেই। সবাই জাতীয়তাবাদী স্বার্থ দ্বারা চালিত ও তাড়িত।
লেখক : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
সময়ের আলো/আআ