চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজ গেট এলাকাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মহাসড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটি এখন জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক। বর্তমানে এই স্থানটি যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে এক চরম ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই রুটে চলাচলকারী হাজারো যানবাহন ও যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। ফলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, চালক ও যাত্রীরা।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, চন্দনাইশের কলেজ গেট এলাকায় মহাসড়কের পিচ-পাথর উঠে গিয়ে এক বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং অতিরিক্ত পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে গর্তটি ক্রমান্বয়ে আরও বড় ও গভীর রূপ ধারণ করছে। গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এর গভীরতা বুঝতে না পেরে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
এ রুটে নিয়মিত চলাচলকারী দূরপাল্লার এক বাস চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রতিনিয়ত শত শত পর্যটক ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। মহাসড়কের চন্দনাইশ অংশের এই গর্তটির কারণে গাড়ি চালাতে গিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। দূর থেকে গর্তটি হঠাৎ চোখে পড়ে না। যার ফলে আচমকা ব্রেক করতে গেলে পেছনের গাড়ি এসে ধাক্কা মারে।
স্থানীয়রা জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য এই স্থানটি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। রাতে পর্যাপ্ত সড়ক বাতি (স্ট্রিট লাইট) না থাকায় এই মরণফাঁদ আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যেই মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন কালক্ষেপণ না করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সময়ের আলো/জোই