রাজধানী ঢাকায় টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে মূল সড়ক থেকে অলিগলি- সবখানেই থইথই পানি। শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত একনাগাড়ে বর্ষণে রাজধানীর এমন কোনো এলাকা ছিল না, যেখানে পানি জমেনি। জলাবদ্ধতায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানীবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দিনভর বৃষ্টিতে অনেকটাই অচল হয়ে পড়ে ঢাকা।
সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত খোলা থাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন চাকরিজীবীরা। অন্যদিকে শ্রমজীবী মানুষের চোখেমুখে ছিল জীবিকা ও সংসার চালানোর অনিশ্চয়তার ছাপ। ফুটপাথের দোকান থেকে শুরু করে বিপণিবিতানের ভেতরেও ঢুকে পড়ে বৃষ্টির পানি। ফলে রাজধানীর অধিকাংশ মার্কেটেই কেনাবেচা প্রায় বন্ধ ছিল।
টানা বর্ষণের কারণে রাজধানীর বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান অর্ধবার্ষিক ও অন্যান্য পরীক্ষাও স্থগিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রাজধানীর গ্রিন রোড, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শাহবাগ, বাংলামোটর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আজিমপুর, আগারগাঁও, আসাদগেট, মণিপুরিপাড়া, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ধানমন্ডি ২৭, ধানমন্ডি ৩২, মোহাম্মদপুর, বিজয়নগর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, গুলশান, বনানী, বারিধারা, মোহাম্মদপুর, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকা, সায়েদাবাদ, ফার্মগেট, গুলিস্তান, শনির আখড়া, পুরানা পল্টন, নয়াপল্টন, মতিঝিল, ফকিরেরপুল, পুরান ঢাকার বংশাল, মিরপুর ১৩, কালশী রাজধান বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসব এলাকার প্রায় সব সড়ক ও অলিগলিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা যায়।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র্যাম্পের নিচেও পানি জমে। বেশিরভাগ এলাকার রাস্তায় কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি জমেছিল। পানি জমেছিল মৌচাক মার্কেট, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে। কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারও ছিল পানির নিচে। ফলে এসব বাজারে অনেকটাই ছিল ক্রেতাশূন্য।
আর জলাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে রাজধানীর বেশিরভাগ স্কুলে চলা অর্ধবার্ষিক ও অন্যান্য পরীক্ষা স্থগিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, নালন্দা স্কুল, নেভি অ্যাংকরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, ঢাকা গভ. মুসলিম হাই স্কুল, ক্যামব্রিজ কারিকুলামের স্কুলসহ বেশিরভাগ স্কুলের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট এ টানা বর্ষণে বিরতিহীনভাবে আকাশে মেঘের গর্জনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝরেছে বৃষ্টি, আর তাতেই সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে রাজধানী কার্যত ডুবে গেছে। বিশেষ করে বৃষ্টিতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ পথচারীরা। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও আবার কোমরসমান পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় হাজারো মানুষকে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম দুর্ভোগে। রাস্তায় জমা পানিতে অনেক বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বিকল হয়ে পড়ে। কয়েকটি এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা ও গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চালকদের ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীতে গণপরিবহনের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। তবে যাত্রীর চাপ ছিল অস্বাভাবিক। প্রতিটি বাস স্টপেজে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীদের হুড়োহুড়ি করে উঠতে দেখা যায়। অনেকেই কয়েকটি বাসে ওঠার চেষ্টা করেও উঠতে পারেননি। বাসের ভেতরেও ছিল প্রচণ্ড ভিড়। আর রিকশা ও ভ্যানচালকরা বাড়তি ভাড়া হাঁকলেও পানি বেশি থাকায় অনেক রাস্তায় তারাও চলাচল করতে পারেননি। বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া সড়কে ভ্যানে করে যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেন চালক।
অন্যদিকে বৃষ্টির অজুহাতে বাড়তি ভাড়া আদায় করেন পরিবহন চালকরা। তাদের সবচেয়ে বেশি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন রিকশা ও অটোরিকশাচালকরা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় প্রায়ই তাদের সঙ্গে যাত্রীদের ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এ বৃষ্টিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এ নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক যাত্রী। দোকানপাট ও মার্কেটে পানি ঢুকে মালামাল নষ্টের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে জিনিসপত্র উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেন। কোথাও কোথাও নর্দমার পানি উপচে সড়কে মিশে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে গত ১৬ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় এবং ওয়াসা থেকে দুই সিটি করপোরেশনের কাছে নালা ও খাল হস্তান্তর করেও কাটেনি ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট। বর্ষা শুরুর আগেই সামান্য বৃষ্টিতে নাকাল হচ্ছে নগরবাসী। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানালেও একদিকে অকেজো পাম্প স্টেশন ও স্লুইসগেট, অন্যদিকে অবৈধ দখল ও প্লাস্টিক বর্জ্যে ভরাট হওয়া খালের কারণে এবারের আষাঢ়-শ্রাবণেও রাজধানীতে তীব্র জলজটের আশঙ্কা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা।
নগর পরিকল্পনাবিদরা জানিয়েছেন, মূলত পাঁচ স্তরের সংকট একসঙ্গে জেঁকে বসেছে ঢাকার বুকে। প্রথমত সড়কের ক্যাচপিটের ছিদ্রগুলো আবর্জনায় বন্ধ; দ্বিতীয়ত ড্রেনগুলো পলি ও কাদায় ভরা; তৃতীয়ত অবৈধ দখলে হারিয়ে গেছে প্রধান খালগুলো; চতুর্থত পাম্পিং স্টেশনগুলো অকেজো; পঞ্চমত চারপাশের নদ-নদীগুলো ভরাট হয়ে হারিয়েছে পানি ধারণের সক্ষমতা।
ফলে বৃষ্টির পানি ক্যাচপিট থেকে ড্রেনে, ড্রেন থেকে খালে এবং খাল হয়ে নদীতে যাওয়ার প্রতিটি ধাপেই অচল হয়ে পড়ে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয়, দফায় দফায় সভা আর প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেলেও সংকটের কোনো স্থায়ী সমাধান হয় না। সমস্যার গভীরে হাত না দিয়ে বারবার উপরিভাগে প্রলেপ দেওয়ার কারণেই প্রতি বর্ষায় ঢাকা ফিরে সেই চেনা ও চরম ভোগান্তির রূপে।
পল্টন এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে অফিসে বের হয়ে মনে হয়েছে রাস্তা নয়, যেন খাল পার হচ্ছি। কোথায় ম্যানহোল আছে, কোথায় গর্ত আছে কিছুই বোঝার উপায় ছিল না। কাপড়, জুতা সব ভিজে গেছে। প্রতিবার বর্ষায় একই কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। এত উন্নয়নের কথা শোনা যায়, কিন্তু বৃষ্টি হলেই সবকিছু পানির নিচে চলে যায়।
তেজগাঁও হয়ে দৈনিক বাংলা মোড়ের দিকে আসা সিএনজি অটোরিকশাচালক আরিফুর রহমান বলেন, আসার পথে একাধিক সড়ক ও অলিগলি পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখেছি। জমে থাকা পানিতে দুয়েকটি অটোরিকশার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চালকদের ঠেলে নিয়ে যেতেও দেখেছি। বলতে গেলে ঢাকা শহরের সব সড়কেই জলাবদ্ধতা ছিল।
অটোরিকশা চালক মো. মজিদ বলেন, অটো নিয়ে বের হয়েছি সকালে। ভাবলাম আজকে বৃষ্টি আছে, কিছু টাকা বেশি পাওয়া যাবে। কিন্তু পানিতে ডুবে রিকশাই বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যাচ্ছি মেকারের কাছে। সারা দিনের টাকাটাই মাইর গেল।
মিরপুরের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, মিরপুর ২ নম্বর মসজিদ মার্কেট থেকে ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের ভাড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ১০০ টাকা চেয়েছে। অবাক হয়ে যাই আমি রিকশাওয়ালাদের কারবার দেখলে। বৃষ্টি ঠিক আছে, তাদের যেমন সমস্যা আমাদেরও তো সমস্যা। তাই বলে ভাড়া চাওয়ার কোনো মাত্রা থাকবে না, এটা কি হয়। ফলে বৃষ্টি-বাদলের দিনে অফিস যেতে এভাবেই অনেক খরচ বেড়ে যায়।
বৃষ্টির কারণে বাইরে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা যদিও খুবই কম, সঙ্গে গণপরিবহনও ছিল প্রায় অনুপস্থিত। জরুরি প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন, তাদের একজন আব্দুস সালাম। কারওয়ান বাজার থেকে জরুরি একটি কাজে গুলশানের উদ্দেশে রওনা হওয়া আব্দুস সালাম জানান, ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি চলছিল, রাস্তায় মানুষ ও যানবাহন দুটোই ছিল খুব কম।
কারওয়ান বাজার থেকে গুলশান আসার পথে একাধিক এলাকায় সড়কে পানি জমে থাকতে দেখেছি, যা স্বাভাবিক যাতায়াতকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারেও। সবজি বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন বলেন, এ রকম টানা বৃষ্টি হলে সবজির দাম আরও অনেক বেড়ে যাবে। তখন আমাদের মতো ছোট ব্যবসায়ীরা পড়বে বিপদে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, টানা ভারী বর্ষণে সাময়িক জলজট তৈরি হলেও আমাদের কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভোর থেকে মাঠে রয়েছেন। জলাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নেমেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানও। তিনি গতকাল ভারী বৃষ্টির ফলে গুলশান, বনানী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে, জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায় সৃষ্ট জলজট পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
এদিকে টানা বর্ষণের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি থাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ পরিহারের আহ্বান জানায় ট্রাফিক পুলিশ। রোববার ট্রাফিক পুলিশের গুলশান বিভাগ জানায়, টানা ভারী বর্ষণের ফলে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র্যাম্পের নিচের অংশসহ বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেট এবং মহানগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় সব মোটরযান চালক ও পথচারীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ পরিহার করতে বলা হয়েছে। জলাবদ্ধ এলাকায় ধীরগতিতে যানবাহন চালান এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করা সম্ভব হলে তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
রোববার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সোমবারও ঢাকাসহ সারা দেশে দিনভর থাকবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির দাপট। আরও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামীকালও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সময়ের আলো/এসএকে