বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।
পিছিয়ে পড়ার পর থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। অবশেষে ম্যাচের ৮৫ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে ঠিকই সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গোল করেন তিনি।
সমতা ফেরানোর পর এগিয়ে যেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হলো না আর্জেন্টিনাকে। প্রথমে ম্যাক আলিস্টারের প্রচেষ্টা ফিরে আসে পোস্টে লেগে। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।
এর আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল পোস্টে একটি শটও কেউ নিতে পারেনি। ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন ঘটনা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম ৩৮ মিনিটে খেলার চেয়ে মারামারিই বেশি হয়েছে। প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে ফাউল হয়েছে ১৯টি। ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা এবং ৭টি ইংল্যান্ড।
আর্জেন্টিনার একাদশ : এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, জুলিয়ানো সিমিওনে, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
ইংল্যান্ডের একাদশ : জর্ডান পিকফোর্ড, রিস জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, জেড স্পেনস, ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, মরগান রজার্স, জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইন।
সময়ের আলো/জেডআই