দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ আবার মুখোমুখি বিশ্ব ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফুটবল প্রেমীদের কাছে এই ম্যাচটি কেবল ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, বরং এটি ইতিহাস, আবেগ এবং শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। দুই দলের অতীত দ্বৈরথের সেই উত্তাপ আজও অম্লান।
ইতিহাসের পাতায় এই দুই দলের লড়াই মানেই ছিল নানা বিতর্ক আর নাটকীয়তা। ১৯৮৬ সালের ম্যারাডোনার সেই অবিস্মরণীয় 'হ্যান্ড অফ গড' গোল হোক কিংবা ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড- প্রতিটি ম্যাচই ফুটবল ভক্তদের মনে গেঁথে আছে। আজও সেই পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করছেন ভক্তরা, তবে আজকের লড়াইয়ে দুই দলই মাঠে নেমেছে নতুন উদ্যমে।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে বুধবার দিবাগত রাতের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের জয়ী দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেনের।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ম্যাচে একাদশে মাত্র একটি পরিবর্তন নিয়ে আজ মাঠে নেমেছে আলবিসেলেস্তেরা। কোচ লিওনেল স্কালোনি অভিজ্ঞ রদ্রিগো দে পলের জায়গায় তরুণ উইঙ্গার জিউলিয়ানো সিমিওনেকে শুরুর একাদশে সুযোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে ইংল্যান্ড। নরওয়ের বিপক্ষে খেলা ওই দল থেকে বাদ পড়েছেন এজরি কোনসা, নিকো ও’রিলি ও ননি মাদুয়েকে। রিসি জেমস, ডিজেড স্পেন্স ও মরগান রজার্স দলে ঢুকেছেন।
আর্জেন্টিনার একাদশ- ফরমেশন : ৪-৪-২
গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো; মিডফিল্ডার: জিউলিয়ানো সিমিওনে, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার; ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (অধিনায়ক), হুলিয়ান আলভারেজ।
ইংল্যান্ডের একাদশ- ফরমেশন : ৪-২-৩-১
গোলকিপার: জর্ডান পিকফোর্ড; ডিফেন্ডার: রিচি জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, ডিজেড স্পেন্স; ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার: ডেক্লান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন; অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ও উইঙ্গার: মরগান রজার্স, জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন; ফরোয়ার্ড: হ্যারি কেইন (অধিনায়ক)।