তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই ফ্রান্সের জালে দুইবার বল পাঠিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। অবশ্য আরও একটি গোল করেও অফসাইডের কারণে তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে তারা।
ম্যাচের মাত্র ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ডেকলান রাইস। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে একাই বেশ খানিকটা এগিয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়িয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। তার দুর্দান্ত গোলে শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
১২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছিলেন বুকায়ো সাকা। মাঝমাঠ থেকে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালও খুঁজে পান তিনি। তবে সহকারী রেফারির পতাকা ওঠায় এবং অফসাইডের সিদ্ধান্তে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
তবে ফ্রান্সকে দ্বিতীয়বার হতাশ হতে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ১৮ মিনিটে ডেকলান রাইসের দারুণ ক্রস থেকে উড়ে এসে হেডে বল জালে পাঠান ডিফেন্ডার এজরি কনসা। এই গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর ব্রোঞ্জ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ফ্রান্স ম্যাচের শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে। অন্যদিকে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ইংল্যান্ড প্রথমার্ধেই বড় ব্যবধান গড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সময়ের আলো/এসএকে