তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটের মধ্যেই ফ্রান্সের জালে তিনবার বল জড়িয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেছে থ্রি লায়ন্সরা। এর আগে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে তাদের আরও একটি গোল।
ম্যাচের মাত্র ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে একক নৈপুণ্যে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ডেকলান রাইস।
১২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছিলেন বুকায়ো সাকা। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়। এরপর ১৮ মিনিটে রাইসের নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় গোল করেন ডিফেন্ডার এজরি কনসা।
আক্রমণের ধার অব্যাহত রেখে ৩৭ মিনিটে আসে ইংল্যান্ডের তৃতীয় গোল। দারুণ দলীয় আক্রমণ থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে আরও একবার বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে টমাস টুখেলের দল।
সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারের ধাক্কা যেন কাটিয়ে উঠতেই পারছে না ফ্রান্স। বিপরীতে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ইংল্যান্ড ব্রোঞ্জ জয়ের পথে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
সময়ের আলো/এসএকে