বাংলাদেশের সংগীত জগতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মো. খুরশীদ আলম। ষাটের দশক থেকে জনপ্রিয়তা তার। এ পর্যন্ত কণ্ঠ দিয়েছেন ৫০০-এর বেশি গানে। তার বেশিরভাগ গানই চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক। এই গুণী শিল্পীকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে প্রামাণ্যচিত্র ‘হৃদয়ে কী সুর বাজে’। এটি নির্মাণ করেছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।
এই প্রামাণ্যচিত্রে খুরশীদ আলমের দীর্ঘ সংগীতজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, স্মৃতি, সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। এতে খুরশীদ আলমের সংগীতজীবনের বিভিন্ন দিকের পাশাপাশি তার ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা গল্প, স্মৃতিচারণ এবং বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে তার অসামান্য অবদান উঠে এসেছে।
দেশের সংগীতপ্রেমী দর্শকের জন্য প্রামাণ্যচিত্রটি হবে একজন বরেণ্য শিল্পীকে নতুনভাবে জানার ও তার বর্ণাঢ্য জীবন-সংগীতের পথচলা উপভোগ করার একটি বিশেষ আয়োজন। আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ খুরশীদ আলম ৮১ বছরে পা রাখবেন।
তার এই জন্মদিন উপলক্ষে সেদিন বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে প্রামাণ্যচিত্র ‘হৃদয়ে কী সুর বাজে’। এর আগে কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে নিয়ে শাইখ সিরাজ নির্মাণ করেন প্রামাণ্যচিত্র ‘গল্প আছে এখানে...’। গত ১ জুলাই সৈয়দ আব্দুল হাদীর জন্মদিনে চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হয় এটি।
প্রামাণ্যচিত্রটিতে উঠে এসেছে কয়েক প্রজন্মের শ্রোতার হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া এই শিল্পীর জীবন, কর্ম, সংগ্রাম, শিল্পভাবনা এবং সংগীতযাত্রার নানা অজানা অধ্যায়।
প্রসঙ্গত, চাচার কাছে গান শুনে গানের প্রতি প্রেম তৈরি হয় খুরশীদ আলমের। শৈশবে স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে প্রচুর প্রশংসা পান। ১৯৬৯ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘আগন্তুক’ চলচ্চিত্রে গান করে প্লেব্যাকে আত্মপ্রকাশ ঘটে খুরশীদ আলমের। এরপর চলচ্চিত্রের অসংখ্য গানে দর্শক-শ্রোতার মন ভরিয়েছেন তিনি।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি