দিল্লিতে ১৪৪ ধারা, আরও জোরালো ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে আরও জোরালো হচ্ছে দিল্লিতে চলমান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলন। বিষয়টি এখন শুধু শিক্ষা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ

2026-07-22T17:50:45+00:00
2026-07-22T17:50:45+00:00
 
  বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬,
৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
দিল্লিতে ১৪৪ ধারা, আরও জোরালো ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ আন্দোলন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম 
ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন। ছবি : রয়টার্স
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে আরও জোরালো হচ্ছে দিল্লিতে চলমান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলন। বিষয়টি এখন শুধু শিক্ষা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে আন্দোলন নিয়ে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে শাসকদল বিজেপি।   

ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্দোলনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনীতিকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে। মঙ্গলবারই শিক্ষা সংস্কার ও পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ৫ দফা দাবি জানান প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। বিপরীতে রাজনৈতিক স্বার্থে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতারা। 


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অজুহাতে দিল্লিজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা সত্ত্বেও বুধবার বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সকালে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপের মুখে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সংসদে পরীক্ষার অনিয়ম ও তরুণদের উদ্বেগ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা এবং সংসদীয় বিতর্কের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

জেন-জিদের এই আন্দোলনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের সংসদ প্রাঙ্গণেও। একদিকে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে সরকারের কঠোর জবাবদিহি দাবি করেছে বিরোধী দলগুলো। 

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন কংগ্রেস নেতারা।

এর আগে ধরণা, স্লোগান আর বিরোধী নেতাদের আটকের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মঙ্গলবারের বিক্ষোভ। পরে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও পুলিশের লাঠিচার্জের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বিরোধী দলনেতার দাবির মধ্যে রয়েছে— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের নামে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার।

তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এই তীব্র বিতর্কের মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সমস্যার দ্রুত সমাধানে আগ্রহ দেখিয়েছে।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ








  বিষয়:   দিল্লি  ১৪৪ ধারা  ককরোচ জনতা পার্টি 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: