অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে ইরান-মার্কিন যুদ্ধ

তৌহিদুজ্জামান সোহান

আন্তর্জাতিক

গত বসন্তে স্বাক্ষরিত নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছে।

2026-07-23T03:30:55+00:00
2026-07-23T03:30:55+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬,
৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে ইরান-মার্কিন যুদ্ধ
তৌহিদুজ্জামান সোহান
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩০ এএম 
সংগৃহীত ছবি
গত বসন্তে স্বাক্ষরিত নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছে। অচলাবস্থায় পুরো পরিস্থিতি। দিনে দিনে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে যুদ্ধটি এখন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। উভয়পক্ষই একে অন্যের বিরুদ্ধে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। অথচ চুক্তিটি স্থায়ী সমাধানের পথনির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিশ্বব্যাপী তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কেন্দ্র করেই মূলত দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তীব্রতা পাচ্ছে। 

ইরানের দাবি, সমঝোতা অনুযায়ী এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের নিয়মকানুন নির্ধারণ করার ব্যাপরে তাদের অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান যেন এই প্রণালি পুরোপুরিভাবে আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই পিছিয়ে আসার কোনো লক্ষণ দেখায়নি বরং উভয়পক্ষই উগ্রতার সঙ্গে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই হামলা-পাল্টাহামলায় ধ্বংস হচ্ছে অবকাঠামো, যাচ্ছে প্রাণ। এরই মধ্যে ইরানসমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা তেহরানের অনুরোধে সৌদি আরবের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেছে। ফলে নতুন আরেকটি ফ্রন্টে বিস্তার লাভ করেছে উপসাগরীয় অঞ্চলের এই সংঘাত। 

চলমান সংঘাতের নতুন পর্ব শুরু হয় গত ৭ জুলাই থেকে। ওইদিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে তারা ইরানের ওপর নতুন করে ‘শক্তিশালী হামলা’ চালাবে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করে, হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেলবাহী জাহাজের ওপর ইরানি হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে যে একটি জাহাজ বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে চলে যাওয়ায় তার ওপর আঘাত হানা হয়।
ইরান বারবার বলে আসছে যে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের নির্ধারিত পথ মেনে চলতে হবে। 

তাদের অভিযোগ ওমান উপকূল দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে চালু করা পথটি সম্পূর্ণ ‘অবৈধ’। এই ঘটনার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘনের’ জবাবে তাদের বাহিনী ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন বলে আখ্যা দেয় এবং দেশটির সামরিক বাহিনী ‘সিদ্ধান্তমূলক জবাব’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে ইরানি গণমাধ্যম জানায়, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড ও সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন বাহিনীর ৮৫টি ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ভেস্তে গেছে যুদ্ধবিরতি : হামলা শুরু হওয়ার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে এপ্রিল মাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘শেষ’ বলে ঘোষণা দেন এবং ইরানের নেতৃত্বকে ‘নিকৃষ্ট’ আখ্যা দেন। ১৩ জুলাই তিনি কংগ্রেসকে জানান যে তিনি আবার ইরানের ওপর ‘সীমিত প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ শুরু করছেন। তার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনীও জানায় যে তারা প্রতিদিন ইরানের কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালাচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের সূত্র অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের ফলে ট্রাম্পের হাতে কংগ্রেসের পূর্বানুমতি ছাড়াই আরও ৬০ দিন সামরিক অভিযান চালানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরে তিনি হুমকি দেন যে ইরান তাদের দাবি মানতে না চাইলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুসহ বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলার পরিধি বাড়ানো হবে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই তা বাস্তবে রূপ পায়।


ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ‘হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে’ এবং জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে শুল্ক ধার্য করবে। তিনি নিজেকে ইরানের ‘প্রধান টার্গেট’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বলেন, তার ওপর কোনো হামলা হলে ইরানকে ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া’ হবে।

প্রতিশ্রুতি বজায় না রাখলে মূল্য দিতেই হবে : ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন হামলাকে ‘মিথ্যা অজুহাতে সন্ত্রাসী বাহিনীর আগ্রাসী পদক্ষেপ’ বলে নিন্দা জানানো হয়। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই হামলার জবাবে ‘কঠোর শাস্তি’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ গালিবাফ বলেন, সমঝোতার শর্ত পালন না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মূল্য দিতে হবে। তিনি বলেন, একতরফা চুক্তির যুগ শেষ হয়েছে, বাস্তবতা এখন সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

১৩ জুলাই এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড ঘোষণা করে, ‘হরমুজ প্রণালি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ’ এবং যতদিন না যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে ‘অবৈধ সামরিক হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাহার করবে, ততদিন এই প্রণালি বন্ধ থাকবে। জুলাইয়ের শুরুতে মার্কিন হামলার জবাবে ইরান প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা দিলেও যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতো এই দাবি অস্বীকার করে। তবে রয়টার্সের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

একজন সিনিয়র ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তা গত সপ্তাহে এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যুদ্ধের মাত্রা বাড়ানোর জন্য তাদের কাছে ‘অনেক বিস্ময়কর পরিকল্পনা’ রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাতে থাকে, তবে পুরো অঞ্চলকেই এর মূল্য দিতে হবে।

যুদ্ধের খরচ ও ক্ষয়ক্ষতি : সংঘাতের নতুন দফা শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত চারজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে। প্রায় ১০০ জন সেনা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র শন পার্নেল। তবে তার দাবি, বেশিরভাগ আহত সামান্য আঘাত পেয়েছেন এবং ৯৬ শতাংশ সেনা ইতিমধ্যে কাজে ফিরে গেছেন। কিন্তু নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টাগন প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন রাখছে। তাদের দাবি, জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের তিনটি অপ্রকাশিত হামলায় কয়েক ডজন সেনা আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে এপি সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নিহত ও ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। উভয়পক্ষই সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে হামলার কথা জানাচ্ছেন এবং প্রায়ই ভিডিও প্রকাশ করছেন। বিপ্লবী গার্ডের দাবি, গত সপ্তাহে তারা জর্ডান ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি, ড্রোন পরিচালনা কেন্দ্র এবং বাহরাইনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন সংরক্ষণ কেন্দ্রে আঘাত হেনেছেন। 

তাদের আরও দাবি, তারা একটি হাইমার্স রকেট লঞ্চার ও প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি; তারা শুধু জানিয়েছে, তাদের হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, উপকূলীয় রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্য ও দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন সেতু, বিমানবন্দর ও দক্ষিণের বন্দর শহরে হামলা চালিয়েছে। বিপ্লবী গার্ডের দাবি, সেতুগুলোতে হামলার কারণে বেসামরিক মানুষেরও প্রাণহানি ঘটেছে। এই সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামও বেড়েছে। 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যথাক্রমে ৯১.৩৪ ও ৮৫.০৩ ডলার প্রতি ব্যারেলে পৌঁছেছে। ৭ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া : সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় জাতিসংঘ বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং কূটনৈতিক পথে সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মুখপাত্র ফরহান হাক বলেন, মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ‘ইরান ও পুরো অঞ্চলজুড়ে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার ঘটনা নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন’ এবং এসব হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা পাকিস্তানও সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মঙ্গলবার ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বলেন, ইসলামাবাদ এখনও অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এদিকে ইরানের সমর্থনপ্রাপ্ত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের ওপর নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে, যা অঞ্চলজুড়ে সংঘাতকে আরও বড় করে তুলেছে। সৌদিসমর্থিত সরকারি বাহিনী সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমা হামলা চালালে তাদের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। যাতে ইরান থেকে ফিরে আসা হুথি প্রতিনিধি দল বহনকারী বিমানটি অবতরণ করতে না পারে। এই ঘটনার ফলে লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ পরিস্থিতি : ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযানের ফলে এখন পরিস্থিতি অচলাবস্থায় পরিণত হয়েছে। সিআইএর মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের মুখেও ইরান কয়েক মাস পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে এবং মার্কিন হামলার কারণে আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম।

সংবাদপত্রটি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি ও যুদ্ধের মাঝে ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে’। এ ছাড়া আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালানোর মতো পর্যাপ্ত সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ‘বৃহত্তর পরিসরে যুদ্ধ চালানোর পরিকল্পনা’ করছে।

গত শুক্র ও শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের পরিধি বাড়ানোর কথা মাথায় রেখে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলে কয়েক ডজন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান পাঠিয়েছে। ইরানের নিরাপত্তাব্যবস্থার বিশেষজ্ঞ সাঈদ গোলকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, উভয়পক্ষের ক্রমবর্ধমান পদক্ষেপের ফলে সংঘাত ‘দ্রুত তীব্র হয়ে তীব্রতর এবং অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ছে’। যেকোনো সময় এটি পুরো উপসাগরীয় যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

সময়ের আলো/আরবিএন


  বিষয়:   ইরান  মার্কিন  যুদ্ধ 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: