চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে ১৫৫ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি সামুদ্রিক কোরাল মাছ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশাল আকারের এই মাছটি বাজারে আনার পর থেকেই এটি একনজর দেখার জন্য বিপুলসংখ্যক কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। প্রদর্শনের পাশাপাশি অনেক ক্রেতাই মাছটি কেনার উদ্দেশ্যে দর কষাকষি করেছেন।
মাছটির আমদানিকারক ও স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির এই কোরালটি ধরা পড়ে। দুদিন আগে মাছ ঘাটের মাধ্যমে খবর পেয়ে তিনি এটি ক্রয়ের উদ্যোগ নেন। মাছটি কিনতে তার ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং পরিবহন বাবদ অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
বিক্রির পরিকল্পনা জানিয়ে আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা মাছটির মূল্য প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ কেজি মাছ বিক্রির অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। আগামী শনিবার পর্যন্ত এই অগ্রিম বুকিং প্রক্রিয়া চালু থাকবে। এরপর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী মাছ কেটে বুকিং দেওয়া ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের মতে, সাগরে সাধারণত বড় সাইজের কোরাল ধরা পড়ার ঘটনা বেশ বিরল। মাঝেমধ্যে কাজীর দেউড়ি বাজারে বড় কোরাল এলেও এত বিশাল ওজনের মাছ সচরাচর দেখা যায় না। ফলে এই মাছটিকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ও ক্রেতাদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, স্বাদ ও উচ্চ পুষ্টিগুণের কারণে সামুদ্রিক কোরাল মাছের একটি বিশেষ চাহিদা রয়েছে ক্রেতামহলে। সাধারণত বঙ্গোপসাগরসহ উষ্ণমণ্ডলীয় সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে এ মাছ বেশি পাওয়া যায়। বর্ষা মৌসুমে প্রচুর কোরাল ধরা পড়লেও সারা বছরই সাগরে এর উপস্থিতি থাকে। চট্টগ্রামসহ দেশের বড় বড় পাইকারি বাজারে এই সুস্বাদু মাছ চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা যায়।
সময়ের আলো/জেডি