ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলন চলতে থাকায় যন্তর-মন্তরের ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মধ্যরাত পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। যন্তর-মন্তরই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের প্রধান স্থান।
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনের বাইরেও ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশ সতর্কতামূলক ঘোষণা দিয়েছে।
বিক্ষোভের প্রভাব রাজধানীর ব্যবসা-বাণিজ্যেও পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে নিউ দিল্লি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনডিটিএ)-এর পরামর্শের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর কনট প্লেসের সব দোকান ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এদিকে, প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার সুনহেরি বাগে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী সাংসদ ও নেতারা দিল্লির টিস জানুয়ারি মার্গের গান্ধী স্মৃতি এলাকায় পৌঁছান।
এদিকে, সিজেপি ও কেন্দ্রের মধ্যে আলোচনা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে। আন্দোলন ৩৪তম দিনে প্রবেশ করলেও কোনো সমাধান হয়নি। কেন্দ্রের দাবি, তারা চারবার আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু কোনো জবাব পায়নি।
সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর বলেন, সরকারের দরজা সবসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য খোলা রয়েছে।
তিনি জানান, আন্দোলনকারীরা বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আলোচনার জন্য যেতে পারেন।
তবে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা শুধুমাত্র যন্তর-মন্তরের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠকে বসতে রাজি।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ