বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়া দুটি খাল পুনঃখনন শেষে প্রকল্পের অব্যবহৃত ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখনন প্রকল্পের মোট ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থেকে ভ্যাট ও আয়কর বাবদ আরও ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্প থেকে প্রায় ৫৮ লাখ টাকা ফেরত পেল সরকার।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ জানান, বলইবুনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং খাউলিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। একই সঙ্গে খালে ৬টি কাঠের পুল নির্মাণ ও ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের জন্য দুটি পৃথক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্প দুটিতে মোট ৪৩৮ জন শ্রমিক কাজ করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, পরিবেশ, প্রকৃতি ও দেশীয় মাছ রক্ষায় গৃহীত দুটি প্রকল্পের কাজ মান বজায় রেখেই নির্ধারিত সময়ে শেষ করা হয়েছে। শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করায় বরাদ্দের সমুদয় অর্থ খরচ হয়নি। তাই অব্যবহৃত টাকা বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মোরেলগঞ্জে সততার সঙ্গে বাস্তবায়িত ও দৃষ্টিনন্দন এই দুটি প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এলাকাবাসী এবং কাজে অংশ নেওয়া শ্রমিকেরা। কাজের গুণগত মান ধরে রেখে টাকা বাঁচিয়ে কোষাগারে ফেরত দেওয়ার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সবাই।
সময়ের আলো/জোই