নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খানের বিরুদ্ধে কারখানায় ব্যবহৃত প্রায় কোটি টাকার লুব অয়েল উন্মুক্ত টেন্ডার ছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৯ জুলাই রাতে গেটপাসের মাধ্যমে তিনটি ট্রাকে করে ১৮৯টি ড্রামে সংরক্ষিত প্রায় ৩৭,৮০০ লিটার লুব অয়েল কারখানা থেকে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে স্থানীয় ঠিকাদাররা বাধা দেন। পরবর্তীতে মালামাল পুনরায় কারখানার ভেতরে সংরক্ষণ করা হয়।
স্থানীয় ঠিকাদার আমজাদ হোসেন শামীম, সাদেকুর রহমান ও আবু ছাইদসহ একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ছাড়াই এই বিক্রয় কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল, যা সাধারণ ঠিকাদারদের অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে। তারা ই-জিপি বা জাতীয় দৈনিকে পুনরায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মহাব্যবস্থাপক আতিকুর রহমান খানের বক্তব্য মুঠোফোনে পাওয়া না গেলেও অন্য গণমাধ্যমে দেওয়া তার ভাষ্যমতে, গঠিত কমিটির সুপারিশ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন অনুমোদিত ‘ঢাকা মিন ওয়েলস লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন অনুমোদিত নির্ধারিত ৯টি প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কারো এতে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে দাবি কারখানা কর্তৃপক্ষের।
এদিকে ঘোড়াশাল সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কার্যালয়ও দাবি করেছে যে টেন্ডারটি সরকারি বিধি অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিষয়টিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের মধ্যে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/জেডি