ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এটি আন্দোলনের শেষ নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের লড়াইয়ের সূচনা মাত্র।
শনিবার (২৫ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা।
ফোনে পদত্যাগের খবর পাওয়ার পর অভিজিৎ দীপকে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা সফল হয়েছি। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি বড় একটি বিজয়। এতে প্রমাণ হয়েছে, দেশ সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। তবে এটি কেবল শুরু।’
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন তারা।
সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক লিখিত ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
এদিকে পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভর্তি পরীক্ষা নিট ইউজি ২০২৬ ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির নৈতিক দায়িত্ব নিয়েই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি দাবি করেন, অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত তদন্তভার সিবিআইকে দেয়, পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা আয়োজন করে এবং পুরো প্রক্রিয়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়।
ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও অভিযোগ করেন, ‘কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন, যা আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।’
দেশের ঐক্য অটুট রাখা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে আইনি জটিলতা থেকে রক্ষা করা এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী রাখার স্বার্থেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
সময়ের আলো/এমকে