যেভাবে তিমিদের ওপর প্রভাব ফেলছে ইরান-মার্কিন যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ গোলার্ধের সমুদ্রে কয়েক দশক ধরে তিমি সংরক্ষণের ইতিবাচক ফল মিলতে শুরু করেছে। ১৯৮৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে বাণিজ্যিক তিমি শিকার নিষিদ্ধ

2026-07-26T13:25:27+00:00
2026-07-26T13:26:03+00:00
 
  রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬,
১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
যেভাবে তিমিদের ওপর প্রভাব ফেলছে ইরান-মার্কিন যুদ্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:২৫ পিএম  আপডেট: ২৬.০৭.২০২৬ ১:২৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ গোলার্ধের সমুদ্রে কয়েক দশক ধরে তিমি সংরক্ষণের ইতিবাচক ফল মিলতে শুরু করেছে। ১৯৮৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে বাণিজ্যিক তিমি শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পর হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে প্রায় ৩০০টি হাম্পব্যাক তিমির বিরল ‘সুপারগ্রুপ’ও দেখা গেছে। তবে এই সুখবরের মাঝেই নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক নৌপথে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ এখন আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে চলাচল করছে। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূল দিয়ে জাহাজের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে, যা তিমিদের জন্য নতুন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হোয়েল ইউনিট’-এর প্রধান বিজ্ঞানী এলস ভারমিউলেন জানান, ২০২৩ সালের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘিরে জাহাজ চলাচল প্রায় চার গুণ বেড়েছে। সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, জাহাজের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিমির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও বাড়বে। অনেক সময় জাহাজের ধাক্কায় মারা যাওয়া তিমি সমুদ্রেই তলিয়ে যায়, ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

কেপটাউন সিটির উপকূল ও পরিবেশবিষয়ক কর্মকর্তা গ্রেগ ওয়েলোফসে বলেন, উপকূলে ভেসে আসা অনেক মৃত তিমির শরীরে জাহাজের প্রপেলারের আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়।

এদিকে গবেষকরা দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় এলাকায় জাহাজের গতিসীমা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, জাহাজের গতি কমানো হলে চালকেরা সময়মতো তিমি শনাক্ত করে সংঘর্ষ এড়াতে পারবেন।

অন্যদিকে, সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ফলে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা একসময় ১০ হাজারের নিচে নেমে গেলেও বর্তমানে তা এক লাখের বেশি হয়েছে। তবে সব প্রজাতির তিমি সমানভাবে নিরাপদ নয়। বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৪টি বৃহৎ তিমি প্রজাতির মধ্যে সাতটি এখনও বিপন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ।


সময়ের আলো/কেএইচ




  বিষয়:   সময়ের আলো  ইরান  যুক্তরাষ্ট্র  যুদ্ধ  হুতি  ইউক্রেন  ইসরায়েল  রাশিয়া 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: