ভারতে চলমান আন্দোলনে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ জোশি। তিনি গত সপ্তাহে এনডিটিভিকে বলেছিলেন যে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনা এবং ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি "খুবই উদ্বিগ্ন"।
২৩ জুন এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোশি বলেন, যা ঘটেছে, সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের গভীর চিন্তা রয়েছে। এ কারণেই প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয়ে সরকার "আন্তরিক, উদ্বিগ্ন এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ"।
জোশির মতে, পাবলিক এক্সামিনেশনস (সংশোধনী) বিল প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে, যা ভবিষ্যতে এমন অপরাধ রোধে ভয় সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, এর আগে আইনে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা খুবই দুর্বল ছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২৪ সালে এতে বড় ধরনের সংশোধন আনেন। সেই সংশোধনী অনুযায়ী প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ বিষয়ে কার্যকর কোনো আইন ছিল না, তাই অপরাধীদের মধ্যে ভয়ও ছিল না। সম্প্রতি এই আইন পাস হয়েছে, গেজেটেও প্রকাশিত হয়েছে এবং এর নিয়মাবলিও প্রণীত হয়েছে। ফলে এখন দোষীদের বিরুদ্ধে আরও বেশি দণ্ডাদেশ হবে এবং আইনভীতি তৈরি হবে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ