ভারতের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের ছেলে ঈশান থারুর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ‘বুমার’দের নিষিদ্ধ করার মন্তব্য করে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার মন্তব্যের জবাবে শশী থারুরও নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতা করেছেন।
ঈশান থারুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ছোট শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখা উচিত— এই বিষয়ে তিনি জোহর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিইও শ্রীধর ভেম্বুর সঙ্গে একমত। তবে তিনি মজা করে বলেন, শিশুদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আগে ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ‘বুমার’দের নিষিদ্ধ করা উচিত।
তিনি লেখেন, ছোট বাচ্চাদের একেবারেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা উচিত নয়। তবে ভারতকে আগে হোয়াটসঅ্যাপে বুমারদের নিষিদ্ধ করা দরকার।
এর জবাবে শশী থারুর বলেন, ভারতের প্রজন্মগত কাঠামো পশ্চিমা দেশের মতো নয়। রসিকতা করে তিনি লেখেন, আমাদের প্রজনন প্রবণতার কারণে, পশ্চিমের বিপরীতে ভারতের প্রতিটি প্রজন্ম— তোমাদের প্রজন্মসহ— বেবি বুমার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
‘বুমার’ শব্দটি মূলত ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া ‘বেবি বুমার’ প্রজন্মকে বোঝায়। তবে ভারতে এটি প্রায়ই বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে মজার ছলে ব্যবহার করা হয়, যাদের চিন্তাধারা পুরোনো বা যারা তরুণদের অনাকাঙ্ক্ষিত পরামর্শ দেন বলে মনে করা হয়।
এর আগে, শ্রীধর ভেম্বু মত দিয়েছিলেন, ছোট শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা উচিত। তিনি বলেন, শিশুদের বই পড়া, খেলাধুলা ও প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো উচিত, যাতে তারা মোবাইল স্ক্রিনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে পড়ে।
ভেম্বুর এই প্রস্তাব নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনে সরকারের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ