মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ভিটাপাড়া গ্রামে চাচার হাসুয়ার কোপে আহত ভাতিজা নাহিদ হোসেন (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এঘটনায় অভিযুক্ত চাচা লালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নাহিদ হোসেন তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে। পেশায় সে সাইকেল ম্যাকানিক ছিলেন। অভিযুক্ত চাচা লালন হোসেন একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই রাতে প্রতিবেশী ফুরকানের ছেলে তাজুল ইসলামের বাড়ি থেকে লালন হোসেন সাইকেল চুরির চেষ্টা করলে নাহিদ তা দেখে ফেলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরদিন সোমবার রাতে একই বিষয় নিয়ে ফের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লালন হোসেন তার হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে নাহিদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। স্থানীয়রা রাতেই নাহিদকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামে আনা হবে। তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুরে লালনকে সদর উপজেলার আমঝুপি নীলকুঠি চত্ত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে আগে থেকেই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে লালন।
সময়ের আলো/জোই