জাপানের আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কুমামোতো শহরের একটি শপিংমলে উদ্ধার অভিযান চলছে। সেখানে বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটির দ্বিতীয় তলা ধসে পড়েছে।
এর আগে এক জাপানি কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, শপিংমল ছাড়াও একটি কারখানায় চিমনি ধসে পড়ার ঘটনায় কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে কিউশু দ্বীপের অভ্যন্তরীণ এলাকায় ৭.১ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেন, মনে হচ্ছিল শক্ত মাটি হঠাৎ করেই নড়তে শুরু করেছে।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শপিংমল থেকে প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার দূরের একটি দোকানের ভেতরে ভূমিকম্পের তীব্র কম্পনে শিশুরা আতঙ্কে কাঁদছে এবং দোকানের পণ্যসামগ্রী মেঝেতে ছিটকে পড়েছে।
আটকে পড়াদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটি সম্ভবত ২০১৬ সালের ভূমিকম্পের পর অক্ষত থাকা একটি ফল্টের কারণে ঘটেছে।
২০১৬ সালের এপ্রিলে, দুই দিনের ব্যবধানে ৬.৫ এবং ৭.৩ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যাতে ২৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।
সময়ের আলো/আআ