রাজশাহীর বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীতে নৌকাডুবে যাওয়ার ২০ ঘণ্টা পার হলেও নিখোঁজ বাবা-ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের উদ্ধারে বুধবার (২৯ জুলাই) দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান পারিচালনা করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে চরখানপুরের পদ্মার নদীর চর থেকে ঝাওগাছ সহ নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হন উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার আফছার আলী (৬০) তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৪০)।
এ ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম (৫৫) প্রাণে বেঁচে যান। তারা বড়কুঠি এলাকায় নিখোঁজ হলেও স্রোতের বিষয়টি মাথায় রেখে আশপাশের এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নিখোঁজ জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম বলেন, পানিতে ডুবে গেলে ভেসে যায়। কিন্তু তাদের পাওয়া গেল না। আল্লাহ জানে তাদের সঙ্গে শেষ দেখা হবে কিনা।
রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন বলেন, নদীতে স্রোত রয়েছে। সকালে অভিযান পরিচালনা করার কথা ছিল, কিন্তু নৌকা না আসার কারণে দেরি হয়ে গেছে। নৌকা আসলেই উদ্ধার অভিযান শুরু হবে। আমরা নদীর তীরবর্তী এলাকায় লোক পাঠিয়েছি। এ ছাড়া স্থানীয় থানাগুলোতে যোগাযোগ করেছি। তারা নদীতে কাউকে পেলে আমাদের খবর দেবে।
সময়ের আলো/জোই