গণভোটের রায় কার্যকর, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের নিয়োগের প্রতিবাদসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে ৫ আগস্ট ঢাকার পল্টনে সমাবেশের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। একই সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলারও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জোটটি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধী দলের নেতার বাসভবনে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারি দল নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালিয়েছিল। খোদ তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছিলেন। জনগণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করলেও সেটি এখন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ সরকার তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে।
আযাদ আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিভিন্ন দপ্তর বা অধিদপ্তরে নজিরবিহীনভাবে দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে, যা জুলাই অভ্যুত্থান চেতনার বিপরীত। একই সঙ্গে সারাদেশে ফের নতুন করে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি শুরু করেছে সরকারের লোকজন। এসবের প্রতিবাদে ৫ আগস্ট বুধবার ঢাকার পল্টনে ১১ দল সমাবেশ করবে।
এ ছাড়া এনসিপির কর্মসূচিতে হামলার তীব্র নিন্দাও জাননো হয় বৈঠক থেকে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ৩ আগস্ট শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। এ ছাড়া সম্প্রতি হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচিতে এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের ওপর বিএনপির হামলার তীব্র নিন্দা এবং এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মাজেদ আতহারী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান প্রমুখ।
সময়ের আলো/জেডি