তৈরি পোশাক রফতানি থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার আয় করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। তবে শুধু রফতানির পরিমাণ বাড়ানো নয়, এ খাতে ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করতে চায় সংগঠনটি।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, এই লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বা দেশীয় সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। বিশেষ করে স্পিনিং ও টেক্সটাইল খাতের সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বিজিএমইএ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর মধ্যে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন (বিটমা) আয়োজনের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, ১০০ বিলিয়ন ডলার রফতানির বিপরীতে যদি মূল্য সংযোজন কম থাকে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না। তাই স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়িয়ে মূল্য সংযোজন ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে।
তিনি বলেন, সুতা উৎপাদক ও পোশাক উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় মতবিরোধ তৈরি হয়। এসব সমস্যা সমাধানে যৌথ আরবিট্রেশন সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে দুই সংগঠন একসঙ্গে কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দেশীয় উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে বিটমা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এখন দেশের মাটিতেই দেখার সুযোগ তৈরি হবে।
সময়ের আলো/এমকে