তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার লক্ষ্যেই এই চুক্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিন দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়াবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, সৌদি আরবে তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশের স্থাপনা ও জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা দেশটির উত্তরাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে "সামুদ্রিক অবরোধ" ঘোষণার পাশাপাশি লোহিত সাগরে সৌদি বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি করে।
এর জবাবে সৌদি আরব হুথি অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি লোহিত সাগর ও গালফ অব এডেনে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে একটি নতুন নৌ-জোট গঠন করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও বৃহত্তর অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে চুক্তির আওতায় সামরিক সহযোগিতার বিস্তারিত বিষয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ