হোটেল-গেস্টহাউস সংকট, কলকাতায় বাংলাদেশি রোগীদের ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

কলকাতায় হোটেল ও গেস্টহাউসে প্রশাসনিক কড়াকড়ির জেরে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন চিকিৎসার জন্য যাওয়া বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনেরা। সাম্প্রতিক

2026-09-22T12:35:17+00:00
2026-09-22T12:37:17+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৭ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
হোটেল-গেস্টহাউস সংকট, কলকাতায় বাংলাদেশি রোগীদের ভোগান্তি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম  আপডেট: ২২.০৯.২০২৬ ১২:৩৭ পিএম
হোটেল সংকটে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশি রোগীরা। ছবি : সংগৃহীত
কলকাতায় হোটেল ও গেস্টহাউসে প্রশাসনিক কড়াকড়ির জেরে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন চিকিৎসার জন্য যাওয়া বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনেরা। সাম্প্রতিক অভিযানে বহু হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাশ্রয়ী থাকার জায়গার সংকট তৈরি হয়েছে, কোথাও আবার ভাড়া বেড়েছে কয়েক গুণ।

রোগীরা থাকার জায়গা পাচ্ছেন না। আবার আগেভাগে থাকার জায়গা নিশ্চিত করা হলেও, কখনো কখনো তারা সেই হোটেল থাকতে পারছেন না। গণমাধ্যমে তেমনই এক ভুক্তভোগী রোগী জানিয়েছেন, আগস্টের শেষে ক্যানসার আক্রান্ত ভাইকে নিয়ে তিনি কলকাতায় যান। অগ্রিম টাকা দেওয়ার পরও প্রথম রাতেই একটি গেস্টহাউস থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়। পরে আশপাশে থাকার জায়গা না পেয়ে রোগীসহ পরিবার নিয়ে ফুটপাতে রাত কাটাতে হয় তাকে।

গত ১৯ আগস্ট মারকুইস স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর পর কলকাতা পৌরসভা হোটেল-গেস্টহাউসগুলোর নিরাপত্তা পরীক্ষা শুরু করে। ৯৬০টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পর অগ্নিনিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ঘাটতির কারণে ৯১৯টির বিরুদ্ধে সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 


ই এম বাইপাসের হাসপাতালগুলোর আশপাশেও একই পরিস্থিতি। রুবি, ডি’সান, মণিপাল, নারায়ণা আর এন টেগোর ও পিয়ারলেসের মতো হাসপাতালকেন্দ্রিক এলাকায় বহু ছোট গেস্টহাউস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসার জন্য আসা স্বল্পবিত্ত বাংলাদেশিরা বিপাকে পড়েছেন। ২০২৪ সালের শুরুতে এসব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাংলাদেশি ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তাদের অনেকে দিল্লি, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর মতো বিকল্প শহর বেছে নেওয়ার কথা ভাবছেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতার কয়েকটি করপোরেট হাসপাতাল অনুমোদিত গেস্টহাউসের সঙ্গে চুক্তি করছে। বাংলাদেশি রোগীদের আগেই নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, গেস্টহাউস বন্ধ থাকায় খাবারের দোকান, ওষুধের ব্যবসা, মানি এক্সচেঞ্জ ও ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলিও ক্ষতির মুখে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কাগজপত্র ও অগ্নিনিরাপত্তার অনুমোদন পেতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একজন গেস্টহাউস ব্যবস্থাপক আরও অভিযোগ করেছেন, দ্রুত ব্যবসা চালু করতে কিছু মালিককে অনৈতিক আর্থিক সমঝোতার চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

সময়ের আলো/মহু
  বিষয়:   হোটেল  গেস্টহাউস  কলকাতা  বাংলাদেশি  রোগী  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: