পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বিদেশি নাগরিককে (৩৩) অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে ২ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে সেখানকার জুডিশিয়ারি পুলিশ (পিজে)।
তাদের ধরতে যে অভিযান পরিচালনা করা হয়, বাংলাদেশের মুদ্রার নামানুসারে তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় ‘টাকা’। গ্রেফতারদের বয়স ৩৫ ও ৪৩ বছর; তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘জরনাল দে নোতিসিয়াস’ লিখেছে, গত ২৭ জুন ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে লিসবনের সড়ক থেকে একটি বাসায় নিয়ে যায় ওই ২ ব্যক্তি।
পিজে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘দুদিন ধরে তাকে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হয় এবং পুরো সময় তাকে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাকে বারবার মারধর ও হুমকি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার মুক্তির বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়।’
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মুক্তিপণের অর্থ পরিশোধের পর ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নির্যাতনের কারণে পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে জুডিশিয়ারি পুলিশের জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট (ইউএনসিটি) তদন্ত শুরু করে। তদন্তে শনাক্ত হওয়ার পর গ্রেফতার হন ২ বাংলাদেশি।
লিসবনের জুডিশিয়ারি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের ইতোমধ্যেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আমাদের অভিযান চলমান আছে।
পর্তুগালের বসবাসরত প্রবাসীরা জানান, পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এমন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখানে বসবাসরত সাধারণ প্রবাসীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে, যা আমাদের সামনের দিনগুলোতে বিপদের দিকে নিয়ে যাবে।
সময়ের আলো/মহু