মাথা গোজার ঠাঁই নেই বৃদ্ধ পরিজানের

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

সারাদেশ

নেই মাথা গোজার ঠাঁই, এক মেয়েকে নিয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে আছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অসহায় ভূমিহীন পরিজান বেগম। পরিজান তার

2026-08-10T00:13:02+00:00
2026-08-10T00:13:02+00:00
 
  সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬,
২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
মাথা গোজার ঠাঁই নেই বৃদ্ধ পরিজানের
পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ এএম 
মেয়েকে নিয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে আছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অসহায় ভূমিহীন পরিজান বেগম। ছবি : সময়ের আলো
নেই মাথা গোজার ঠাঁই, এক মেয়েকে নিয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে আছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অসহায় ভূমিহীন পরিজান বেগম। পরিজান তার মেয়েকে নিয়ে অন্য মানুষের জমিতে খুপরি ঘর বানিয়ে কোনো ভাবে জীবন যাপন করে আসছেন। বহুদিন আগেই স্বামী শাহজাহান আলী ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন অন্যত্র।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার নওপাড়া গ্রামের পায়রাপাড়া এলাকায় মেয়ে তহমিনাকে নিয়ে ইনাত আলীর জমিতে একটি খুপরি ঘর বানিয়ে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন বহুদিন যাবত। জমির মালিক ইনাত আলী বলে দিয়েছেন সেখান থেকে সরে যেতে। তাই তাহমিনাকে নিয়ে কোথায় যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না পরিজন।

পরিজানের সহায় সম্বল বলতে রয়েছে দুটি ছাগল। মানুষের বাড়িতে ও কৃষি কাজ করে জীবন নির্বাহ করেন মা ও মেয়ে। এখন মাথা গোজার ঠাই খুঁজতে সকাল হতে রাত পর্যন্ত ধরনা দিচ্ছেন বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর কাছে। তবুও হচ্ছে না কোন কূল কিনারা। সহায় সম্বলহীন পরিজান বেগম পান না কোন সরকারি অনুদান, নেই কোন ভাতার কার্ড। একদিকে সংসারে অভাব অনটন অন্যদিকে প্রাপ্তবয়স্কা মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা সব মিলে যেন বৃদ্ধ বয়সে কুড়ে খাচ্ছে পরিজান বেগমকে।

এসব বিষয়ে বৃদ্ধ পরিজান বেগম বলেন, এতদিন এখানে ছিলাম ভালোই ছিলাম। এখন এই জমিতে ওরা কি যেন বানাবে তাই এখানে আর থাকা যাবে না। মানুষের বারান্দা ও বিভিন্ন জায়গায় এখন আমার দিনরাত কাটছে। আপনারা যদি পারেন আমার একটা থাকার জায়গা বানিয়ে দেন। আমার মেয়েকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব ভেবে পাচ্ছি না। 


প্রতিবেশী দুলালী বেগম ও আজগর আলী বলেন, ওরা খুবই অসহায় ওদের বাড়ি ঘর নাই। জায়গা জমি নাই। ওদের যদি থাকার একটা ব্যবস্থা করা যেত তাহলে খুবই ভালো হতো। মহিলাটি এই বৃদ্ধ বয়সে এসেও তার মেয়েকে নিয়ে পরের জমিতে কৃষি কাজ করেন কখনো কখনো মানুষের বাসায় কাজ করে খায়। মাথা গোজার একটা থাই হলে ওদের জন্য খুবই ভালো হতো। 

এ বিষয়ে জিউপাড়া ইউনিয়নের প্রশাসক ও পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। যদি কোনো ভাতা না পেয়ে থাকে, তাহলে সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি চেষ্টা করব।

সময়ের আলো/আতা


  বিষয়:   ঠাঁই নেই বৃদ্ধ পরিজানের  সময়ের আলো  পুঠিয়া  রাজশাহী 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: