মা দিবস কিংবা বাবা দিবসের কথা আমরা সবাই জানি। মা-বাবার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য যেমন বিশেষ দিন রয়েছে, তেমনি সন্তানদের জন্যও রয়েছে একটি আলাদা দিবস। আজ ১১ আগস্ট পালিত হচ্ছে পুত্র-কন্যা দিবস। কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মা-বাবা তাদের সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিনটি উদযাপন করেন।
১৯৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট জোসেফ শহরের এক শিশু জে হেনরি দুসে বেরি নামের এক ব্যক্তির কাছে অভিযোগ করে- বাবা ও মায়ের জন্য আলাদা আলাদা দিবস থাকতে পারলে, সন্তানদের জন্য কেন বিশেষ দিন থাকবে না?
ধারণা করা হয়, সেই শিশুর অভিযোগ থেকেই পুত্র-কন্যা দিবস ধারণার সূচনা। একসময় দিবসটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত এই জনপ্রিয়তা ছিল।
কানাডার একটি প্রকাশনার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ব্রিটিশ কলাম্বিয়া অঞ্চলে ১৯৮৮ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি নানা আয়োজনে উদযাপন করা হয়। এদিন মা-বাবা সন্তানদের সঙ্গে বাড়তি কিছু সময় কাটান। পরিবারের সবাই মিলে ঘুরতে যাওয়া, একসঙ্গে খাবার খাওয়া কিংবা ঘরোয়া আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটিকে বিশেষ করে তোলেন অনেকে।
বাংলাদেশে পুত্র-কন্যা দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত না হলেও, নিজের মতো করে দিনটি উদযাপন করা যেতে পারে। সন্তান থাকলে আজ তাকে একটু বেশি সময় দিন। ভালোবাসা প্রকাশ করে জড়িয়ে ধরুন, কপালে চুমু দিয়ে জানান সে আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের পছন্দের খাবার রান্না করতে পারেন, অথবা পরিবারের সবাই মিলে বাইরে খেতে যেতে পারেন।
আপনার নিজের সন্তান না থাকলেও দিনটি উদযাপনের সুযোগ আছে। ভাই-বোনের সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন। এমনকি আপনার প্রিয় পোষা প্রাণীটি যদি পরিবারের সন্তানের মতো হয়ে থাকে, তার সঙ্গেও আজকের দিনটি আনন্দ ও ভালোবাসায় কাটাতে পারেন।
সময়ের আলো/মহু